বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (BWOT)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ধেয়ে আসছে চলতি বছরের পঞ্চম বৃষ্টি বলয় **'ঝুমুল'**। এটি একটি শক্তিশালী ও প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়, যার প্রভাবে দেশের ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ এলাকায় বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
দেশের আকাশজুড়ে ঘনীভূত হচ্ছে মেঘ। ধেয়ে আসছে শক্তিশালী প্রাক-মৌসুমী বৃষ্টি বলয় 'ঝুমুল'। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (BWOT) জানিয়েছে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এই বৃষ্টি বলয়। এর প্রভাবে দেশের সিংহভাগ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত এবং ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টি বলয়ের বিস্তার ও সক্রিয়তা
'ঝুমুল' চলাকালীন দেশের ৭০-৯০ শতাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে সিলেট বিভাগে। এছাড়া ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাঞ্চলেও এটি বেশ সক্রিয় থাকবে। বরিশাল ও খুলনা বিভাগে মাঝারি এবং রাজশাহী বিভাগে এর প্রভাব কিছুটা কম হতে পারে।
বিশেষ সক্রিয় সময়: ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে এবং ৪ ও ৬ মে এই বৃষ্টি বলয়টি সর্বোচ্চ তীব্রতায় থাকবে। তবে ২৬ এপ্রিলের আগে আগামীকাল ২৫ এপ্রিলও দেশের উত্তরাঞ্চলসহ কিছু স্থানে বিক্ষিপ্ত বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া ও ঝড়ের ধরন
ঝড় ও বজ্রপাত: ৬০-৮০ কিমি/ঘণ্টা বেগে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। সাথে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাতের সতর্কতা রয়েছে।
বন্যা ও পাহাড় ধস: ভারি বৃষ্টির কারণে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। একই সাথে সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাহাড়ি ঢল: ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা মেঘালয় ও আসামে অতিভারি বৃষ্টির ফলে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীতে পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
স্বস্তির খবর ও তাপমাত্রা
তীব্র গরমের পর এই বৃষ্টি বলয় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। এ সময় দেশের অধিকাংশ স্থানে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকবে এবং তাপপ্রবাহ সক্রিয় থাকার সম্ভাবনা কম। তবে বৃষ্টিহীন সময়ে খুলনা ও রাজশাহীর কিছু স্থানে তাপমাত্রা ৩৬-৩৭° সেলসিয়াসে উঠতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থার পরামর্শ
BWOT-এর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মেঘের গতিপথ মূলত উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হতে পারে। বৃষ্টির ফলে দেশের ৬০-৭০ শতাংশ এলাকায় সেচের চাহিদা পূরণ হবে। তবে প্রাকৃতিক কারণে এই সময়সূচি ও শক্তি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। চূড়ান্ত ও দাপ্তরিক তথ্যের জন্য সবাইকে **বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর** ও **বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের** বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (BWOT)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ধেয়ে আসছে চলতি বছরের পঞ্চম বৃষ্টি বলয় **'ঝুমুল'**। এটি একটি শক্তিশালী ও প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়, যার প্রভাবে দেশের ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ এলাকায় বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
দেশের আকাশজুড়ে ঘনীভূত হচ্ছে মেঘ। ধেয়ে আসছে শক্তিশালী প্রাক-মৌসুমী বৃষ্টি বলয় 'ঝুমুল'। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (BWOT) জানিয়েছে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এই বৃষ্টি বলয়। এর প্রভাবে দেশের সিংহভাগ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত এবং ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টি বলয়ের বিস্তার ও সক্রিয়তা
'ঝুমুল' চলাকালীন দেশের ৭০-৯০ শতাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে সিলেট বিভাগে। এছাড়া ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাঞ্চলেও এটি বেশ সক্রিয় থাকবে। বরিশাল ও খুলনা বিভাগে মাঝারি এবং রাজশাহী বিভাগে এর প্রভাব কিছুটা কম হতে পারে।
বিশেষ সক্রিয় সময়: ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে এবং ৪ ও ৬ মে এই বৃষ্টি বলয়টি সর্বোচ্চ তীব্রতায় থাকবে। তবে ২৬ এপ্রিলের আগে আগামীকাল ২৫ এপ্রিলও দেশের উত্তরাঞ্চলসহ কিছু স্থানে বিক্ষিপ্ত বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া ও ঝড়ের ধরন
ঝড় ও বজ্রপাত: ৬০-৮০ কিমি/ঘণ্টা বেগে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। সাথে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাতের সতর্কতা রয়েছে।
বন্যা ও পাহাড় ধস: ভারি বৃষ্টির কারণে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। একই সাথে সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাহাড়ি ঢল: ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা মেঘালয় ও আসামে অতিভারি বৃষ্টির ফলে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীতে পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
স্বস্তির খবর ও তাপমাত্রা
তীব্র গরমের পর এই বৃষ্টি বলয় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। এ সময় দেশের অধিকাংশ স্থানে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকবে এবং তাপপ্রবাহ সক্রিয় থাকার সম্ভাবনা কম। তবে বৃষ্টিহীন সময়ে খুলনা ও রাজশাহীর কিছু স্থানে তাপমাত্রা ৩৬-৩৭° সেলসিয়াসে উঠতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থার পরামর্শ
BWOT-এর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মেঘের গতিপথ মূলত উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হতে পারে। বৃষ্টির ফলে দেশের ৬০-৭০ শতাংশ এলাকায় সেচের চাহিদা পূরণ হবে। তবে প্রাকৃতিক কারণে এই সময়সূচি ও শক্তি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। চূড়ান্ত ও দাপ্তরিক তথ্যের জন্য সবাইকে **বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর** ও **বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের** বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
