খেলা
বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা শুরু না হলেও, ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে নানা হিসাব-নিকাশ। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই কে উঠবে জয়ের মঞ্চে—তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে বাজি ধরার খেলা। সেই স্রোতে গা ভাসিয়ে এবার আলোচনার কেন্দ্রে নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। রাজনীতির মারপ্যাঁচের বাইরে এসে তিনি জানালেন নিজের ফুটবল অনুভূতির কথা। মামদানির বাজি, ২০২৬ বিশ্বকাপের মুকুট উঠবে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর মাথায়।
সিটি হলের লনে দাঁড়িয়ে খোলামেলা আড্ডায় মেয়র অবশ্য স্বীকার করে নিলেন, গবেষণালব্ধ তথ্যের চেয়ে তার এই অনুমানের পেছনে রয়েছে ফুটবলের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। তিনি বললেন, ‘হৃদয় যা চায়, পথ তো সেখানেই খুঁজে নেয়।’ ফ্রান্সকে হারিয়ে মরক্কোর প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই স্বপ্ন সত্যি হলে, তা হবে ফুটবল ইতিহাসের এক রূপকথা। চার বছর আগে কাতারে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কোর লড়াই কাছ থেকে দেখেছেন মামদানি। সেই স্মৃতি এখনো তার মনে তরতাজা।
তবে মেয়রের ভবিষ্যদ্বাণীতে কেবল মরক্কোর জয়গানই নেই, রয়েছে বড় বড় চমক। তার বিশ্লেষণে, ব্রাজিল ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে আসছে জাপান; শেষ বত্রিশের লড়াইয়েই হলুদ জার্সিধারীদের বিদায়ঘণ্টা বাজাবেন জাপানিরা। একই পর্বে হাইতির চমকপ্রদ অগ্রযাত্রাও দেখছেন তিনি। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মামদানির বাজি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত, যেখানে তাদের রুখে দেবে ইংলিশরা। উগান্ডায় জন্ম নেওয়া এবং ফুটবলের প্রেমে পড়া মামদানি ঘানার অগ্রযাত্রাতেও বিশ্বাসী; নকআউটে উঠলেও কলম্বিয়ার বাধা পেরোনো তাদের জন্য কঠিন হবে বলে মনে করেন তিনি।
সব জল্পনার চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হবে ১৩ জুন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেদিন ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে মরক্কো। আপাতত জোহরান মামদানির এই বাজি কেবলই কি মেয়রের মনের ইচ্ছা, নাকি ইতিহাস গড়ার পূর্বাভাস—সেই উত্তরের অপেক্ষায় তাকিয়ে আছে ফুটবলবিশ্ব।
2.png)
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা শুরু না হলেও, ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে নানা হিসাব-নিকাশ। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই কে উঠবে জয়ের মঞ্চে—তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে বাজি ধরার খেলা। সেই স্রোতে গা ভাসিয়ে এবার আলোচনার কেন্দ্রে নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। রাজনীতির মারপ্যাঁচের বাইরে এসে তিনি জানালেন নিজের ফুটবল অনুভূতির কথা। মামদানির বাজি, ২০২৬ বিশ্বকাপের মুকুট উঠবে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর মাথায়।
সিটি হলের লনে দাঁড়িয়ে খোলামেলা আড্ডায় মেয়র অবশ্য স্বীকার করে নিলেন, গবেষণালব্ধ তথ্যের চেয়ে তার এই অনুমানের পেছনে রয়েছে ফুটবলের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। তিনি বললেন, ‘হৃদয় যা চায়, পথ তো সেখানেই খুঁজে নেয়।’ ফ্রান্সকে হারিয়ে মরক্কোর প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই স্বপ্ন সত্যি হলে, তা হবে ফুটবল ইতিহাসের এক রূপকথা। চার বছর আগে কাতারে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কোর লড়াই কাছ থেকে দেখেছেন মামদানি। সেই স্মৃতি এখনো তার মনে তরতাজা।
তবে মেয়রের ভবিষ্যদ্বাণীতে কেবল মরক্কোর জয়গানই নেই, রয়েছে বড় বড় চমক। তার বিশ্লেষণে, ব্রাজিল ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে আসছে জাপান; শেষ বত্রিশের লড়াইয়েই হলুদ জার্সিধারীদের বিদায়ঘণ্টা বাজাবেন জাপানিরা। একই পর্বে হাইতির চমকপ্রদ অগ্রযাত্রাও দেখছেন তিনি। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মামদানির বাজি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত, যেখানে তাদের রুখে দেবে ইংলিশরা। উগান্ডায় জন্ম নেওয়া এবং ফুটবলের প্রেমে পড়া মামদানি ঘানার অগ্রযাত্রাতেও বিশ্বাসী; নকআউটে উঠলেও কলম্বিয়ার বাধা পেরোনো তাদের জন্য কঠিন হবে বলে মনে করেন তিনি।
সব জল্পনার চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হবে ১৩ জুন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেদিন ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে মরক্কো। আপাতত জোহরান মামদানির এই বাজি কেবলই কি মেয়রের মনের ইচ্ছা, নাকি ইতিহাস গড়ার পূর্বাভাস—সেই উত্তরের অপেক্ষায় তাকিয়ে আছে ফুটবলবিশ্ব।
2.png)