খেলা
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারানোর পর সোমবার রাজধানী মাদ্রিদে পৌঁছান বিশ্বজয়ী ফুটবলাররা। তাদের স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই শহরের প্রধান সড়ক ও চত্বরগুলো ভরে যায় লাখো সমর্থকে।
দেশে ফিরেই রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ২৬ সদস্যের স্প্যানিশ দল। এরপর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে শুরু হয় বিজয় উদযাপনের মূল আয়োজন।
খোলা ছাদের বিশেষ বাসে করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করেন খেলোয়াড়রা। মনক্লোয়া প্যালেস থেকে সিবেলেস স্কয়ার পর্যন্ত পুরো পথজুড়ে লাল-হলুদ পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে মাদ্রিদ। স্লোগান, করতালি, গান এবং আতশবাজির ঝলকে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় শহরজুড়ে।
রোববার নিউ জার্সিতে ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজতেই স্পেনে শুরু হয়েছিল আনন্দোৎসব। মাদ্রিদের পুয়ের্তা দে সোলসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন করেন। বারান্দা, রেস্তোরাঁ ও পাব থেকে বেরিয়ে সমর্থকেরা জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে রাতভর গান, নাচ ও আনন্দে মেতে থাকেন।
এই শিরোপা স্প্যানিশ ফুটবলের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ২০১০ সালের পর পুরুষদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ২০২৩ সালে নারী দলের বিশ্বকাপ জয়ের ধারাবাহিকতায় এখন পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগেই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি দেশটির জন্য এক অনন্য অর্জন।
তবে আনন্দের মধ্যেও এসেছে বেদনার খবর। সালামাঙ্কায় বিজয় উদযাপনের সময় একটি ফোয়ারা ধসে পড়ে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সেই ঘটনায় শোকের আবহ তৈরি হলেও রাজধানীতে বিজয় উৎসব থেমে থাকেনি।
প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে সকাল থেকেই সিবেলেস স্কয়ারে ভিড় করেন অসংখ্য সমর্থক। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে বিশ্বকাপ জয় স্প্যানিশ জনগণের জন্য নতুন করে জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
বিষয় : ফিফা বিশ্বকাপ স্পেন চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন মাদ্রিদ বরণ
2.png)
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারানোর পর সোমবার রাজধানী মাদ্রিদে পৌঁছান বিশ্বজয়ী ফুটবলাররা। তাদের স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই শহরের প্রধান সড়ক ও চত্বরগুলো ভরে যায় লাখো সমর্থকে।
দেশে ফিরেই রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ২৬ সদস্যের স্প্যানিশ দল। এরপর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে শুরু হয় বিজয় উদযাপনের মূল আয়োজন।
খোলা ছাদের বিশেষ বাসে করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করেন খেলোয়াড়রা। মনক্লোয়া প্যালেস থেকে সিবেলেস স্কয়ার পর্যন্ত পুরো পথজুড়ে লাল-হলুদ পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে মাদ্রিদ। স্লোগান, করতালি, গান এবং আতশবাজির ঝলকে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় শহরজুড়ে।
রোববার নিউ জার্সিতে ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজতেই স্পেনে শুরু হয়েছিল আনন্দোৎসব। মাদ্রিদের পুয়ের্তা দে সোলসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন করেন। বারান্দা, রেস্তোরাঁ ও পাব থেকে বেরিয়ে সমর্থকেরা জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে রাতভর গান, নাচ ও আনন্দে মেতে থাকেন।
এই শিরোপা স্প্যানিশ ফুটবলের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ২০১০ সালের পর পুরুষদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ২০২৩ সালে নারী দলের বিশ্বকাপ জয়ের ধারাবাহিকতায় এখন পুরুষ ও নারী—উভয় বিভাগেই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি দেশটির জন্য এক অনন্য অর্জন।
তবে আনন্দের মধ্যেও এসেছে বেদনার খবর। সালামাঙ্কায় বিজয় উদযাপনের সময় একটি ফোয়ারা ধসে পড়ে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সেই ঘটনায় শোকের আবহ তৈরি হলেও রাজধানীতে বিজয় উৎসব থেমে থাকেনি।
প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে সকাল থেকেই সিবেলেস স্কয়ারে ভিড় করেন অসংখ্য সমর্থক। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে বিশ্বকাপ জয় স্প্যানিশ জনগণের জন্য নতুন করে জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
2.png)