লোকাল ফোকাস
মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া আক্তার হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহত লামিয়ার শ্বশুর খোকন বেপারি এবং দুই ননদ রিংকি ও লিমা।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনা জানান, জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রামপাল উপজেলার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুলাই লামিয়া আক্তারের মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শ্বশুরবাড়ির একাধিক সদস্যকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আসছিল।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, মামলাটির তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ১৬ জুলাই রাজৈর উপজেলার গৃহবধূ লামিয়া আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের পারিবারিক নির্যাতনের জেরেই তার মৃত্যু হয়েছে।
2.png)
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া আক্তার হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহত লামিয়ার শ্বশুর খোকন বেপারি এবং দুই ননদ রিংকি ও লিমা।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনা জানান, জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রামপাল উপজেলার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুলাই লামিয়া আক্তারের মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শ্বশুরবাড়ির একাধিক সদস্যকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আসছিল।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, মামলাটির তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ১৬ জুলাই রাজৈর উপজেলার গৃহবধূ লামিয়া আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের পারিবারিক নির্যাতনের জেরেই তার মৃত্যু হয়েছে।
2.png)