লোকাল ফোকাস
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। লেকে পানির চাপ আরও বাড়লে পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে গেট আরও উন্মুক্ত করা হতে পারে।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, লেকে পানির প্রবাহ (ইনফ্লো) বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী স্পিলওয়ের গেট আরও উঁচু করে খুলে দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা রয়েছে ১০৪ দশমিক ০৯ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল)। একই সময়ে কেন্দ্রটির পাঁচটি উৎপাদন ইউনিট সচল রয়েছে এবং সেগুলো থেকে মোট ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল হলেও ১০৮ ফুট উচ্চতাকে সতর্কতামূলক বিপৎসীমা হিসেবে ধরা হয়। সে কারণে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই স্পিলওয়ে খুলে অতিরিক্ত পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, যাতে বাঁধের নিরাপত্তা বজায় থাকে এবং উজান ও ভাটির এলাকায় বন্যার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়।
বিষয় : কাপ্তাই বাঁধ
2.png)
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। লেকে পানির চাপ আরও বাড়লে পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে গেট আরও উন্মুক্ত করা হতে পারে।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, লেকে পানির প্রবাহ (ইনফ্লো) বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী স্পিলওয়ের গেট আরও উঁচু করে খুলে দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা রয়েছে ১০৪ দশমিক ০৯ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল)। একই সময়ে কেন্দ্রটির পাঁচটি উৎপাদন ইউনিট সচল রয়েছে এবং সেগুলো থেকে মোট ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল হলেও ১০৮ ফুট উচ্চতাকে সতর্কতামূলক বিপৎসীমা হিসেবে ধরা হয়। সে কারণে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই স্পিলওয়ে খুলে অতিরিক্ত পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, যাতে বাঁধের নিরাপত্তা বজায় থাকে এবং উজান ও ভাটির এলাকায় বন্যার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়।
2.png)