জাতীয়
এবারের মহড়ায় জঙ্গলাঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনা, সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাসদস্যদের দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ট্যাকটিক্যাল কমব্যাট ক্যাজুয়ালটি কেয়ার (Tactical Combat Casualty Care) বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই দেশের সেনাসদস্যরা পরস্পরের কৌশল, অপারেশন পরিচালনার পদ্ধতি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ‘টাইগার লাইটনিং’ যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস আর্মি প্যাসিফিক অঞ্চলের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর পারস্পরিক আন্তঃকার্যক্ষমতা (ইন্টারঅপারেবিলিটি), অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতা আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০১৭ সালে প্রথম চালু হওয়া এই দ্বিপক্ষীয় সামরিক মহড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি নিয়মিত অংশে পরিণত হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় কয়েক বছর এটি স্থগিত থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পুনরায় নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে।
মহড়াটি কয়েকটি ধাপে পরিচালিত হবে। শুরুতে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাত্ত্বিক বিষয়গুলো শেখানো হবে। এরপর মাঠপর্যায়ে বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে বিভিন্ন কৌশলগত অনুশীলন পরিচালিত হবে। সবশেষে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অর্জিত দক্ষতা বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া শুধু প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে সমন্বিত সক্ষমতা বৃদ্ধিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
2.png)
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
এবারের মহড়ায় জঙ্গলাঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনা, সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাসদস্যদের দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ট্যাকটিক্যাল কমব্যাট ক্যাজুয়ালটি কেয়ার (Tactical Combat Casualty Care) বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই দেশের সেনাসদস্যরা পরস্পরের কৌশল, অপারেশন পরিচালনার পদ্ধতি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ‘টাইগার লাইটনিং’ যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস আর্মি প্যাসিফিক অঞ্চলের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর পারস্পরিক আন্তঃকার্যক্ষমতা (ইন্টারঅপারেবিলিটি), অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতা আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০১৭ সালে প্রথম চালু হওয়া এই দ্বিপক্ষীয় সামরিক মহড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি নিয়মিত অংশে পরিণত হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় কয়েক বছর এটি স্থগিত থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পুনরায় নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে।
মহড়াটি কয়েকটি ধাপে পরিচালিত হবে। শুরুতে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাত্ত্বিক বিষয়গুলো শেখানো হবে। এরপর মাঠপর্যায়ে বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে বিভিন্ন কৌশলগত অনুশীলন পরিচালিত হবে। সবশেষে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অর্জিত দক্ষতা বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া শুধু প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে সমন্বিত সক্ষমতা বৃদ্ধিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
2.png)