লোকাল ফোকাস
অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবুল কাশেম শেখ
পাবনায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবুল কাশেম শেখকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদল। অভিযুক্ত কাশেম পাবনার আতাইকুলা থানার আড়িয়াডাংগী গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন।
গত ১১ জুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এই ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পরদিন ১২ জুন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পর থেকেই অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে আতাইকুলা থানা পুলিশ মাঠে নামে।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, অপরাধী গা ঢাকা দিলেও পুলিশের বিশেষ দল সারারাত অভিযান চালিয়ে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, রোববার রাতে দলীয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইউনিয়ন যুবদল থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনের সব পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এই বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি এখন স্থানীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
বিষয় : ধর্ষনের অভিযোগ
2.png)
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবুল কাশেম শেখ
পাবনায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবুল কাশেম শেখকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদল। অভিযুক্ত কাশেম পাবনার আতাইকুলা থানার আড়িয়াডাংগী গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন।
গত ১১ জুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে এই ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পরদিন ১২ জুন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পর থেকেই অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে আতাইকুলা থানা পুলিশ মাঠে নামে।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, অপরাধী গা ঢাকা দিলেও পুলিশের বিশেষ দল সারারাত অভিযান চালিয়ে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, রোববার রাতে দলীয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইউনিয়ন যুবদল থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনের সব পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এই বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি এখন স্থানীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
2.png)