লাইফ স্টাইল
বাড়িকে আমরা নিরাপদ আশ্রয় বলেই মনে করি। কিন্তু ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা কিছু ছোট জিনিসই মুহূর্তের মধ্যে ছোট শিশুর জন্য ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে মুখে সবকিছু নেওয়ার অভ্যাস থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরও বেশি।
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশুবিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসনুভা খানের মতে, কম বয়সী শিশুরা গলার ভেতরের পেশি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে খাবার বা ছোট কোনো বস্তু সহজেই শ্বাসনালিতে আটকে যেতে পারে। এতে তীব্র শ্বাসকষ্ট, শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে যাওয়া, এমনকি মৃত্যুর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। অনেক সময় গলায় কিছু আটকে যাওয়ার পর কয়েক দিন পরও জটিলতা দেখা দিতে পারে।
শুধু খাবার নয়, শিশুর হাতে ধরা যায় এমন যেকোনো ছোট বস্তুই ঝুঁকির কারণ হতে পারে। ফলের বীজ, টবের নুড়িপাথর, পোশাকের পিন কিংবা খেলনার ছোট অংশ—এসবই অসাবধানতাবশত শিশুর মুখে চলে যেতে পারে।
শিশুকে নিরাপদ রাখতে যা করবেন
খেলনা বাছাইয়েও সতর্কতা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খেলনা ব্যবহার করা উচিত। ভাঙা খেলনা বা ছোট অংশযুক্ত খেলনা শিশুর মুখে চলে যেতে পারে। পরিবারের বড় শিশুদের খেলনার ছোট অংশও ছোটদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
এ ছাড়া বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে টব সাজানোর জন্য মার্বেল বা নুড়িপাথর ব্যবহার না করাই ভালো।
যেসব জিনিস অবশ্যই শিশুর নাগালের বাইরে রাখবেন
শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবারের সদস্যদের সচেতনতার বিকল্প নেই। সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, তাই ঘরের প্রতিটি ছোট জিনিস কোথায় রাখা হচ্ছে, সে বিষয়ে বাড়তি নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিষয় : শিশুদের জন্য বিপদ শিশুর নিরাপত্তা
2.png)
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
বাড়িকে আমরা নিরাপদ আশ্রয় বলেই মনে করি। কিন্তু ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা কিছু ছোট জিনিসই মুহূর্তের মধ্যে ছোট শিশুর জন্য ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে মুখে সবকিছু নেওয়ার অভ্যাস থাকা শিশুদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরও বেশি।
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশুবিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসনুভা খানের মতে, কম বয়সী শিশুরা গলার ভেতরের পেশি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে খাবার বা ছোট কোনো বস্তু সহজেই শ্বাসনালিতে আটকে যেতে পারে। এতে তীব্র শ্বাসকষ্ট, শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে যাওয়া, এমনকি মৃত্যুর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। অনেক সময় গলায় কিছু আটকে যাওয়ার পর কয়েক দিন পরও জটিলতা দেখা দিতে পারে।
শুধু খাবার নয়, শিশুর হাতে ধরা যায় এমন যেকোনো ছোট বস্তুই ঝুঁকির কারণ হতে পারে। ফলের বীজ, টবের নুড়িপাথর, পোশাকের পিন কিংবা খেলনার ছোট অংশ—এসবই অসাবধানতাবশত শিশুর মুখে চলে যেতে পারে।
শিশুকে নিরাপদ রাখতে যা করবেন
খেলনা বাছাইয়েও সতর্কতা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খেলনা ব্যবহার করা উচিত। ভাঙা খেলনা বা ছোট অংশযুক্ত খেলনা শিশুর মুখে চলে যেতে পারে। পরিবারের বড় শিশুদের খেলনার ছোট অংশও ছোটদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
এ ছাড়া বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে টব সাজানোর জন্য মার্বেল বা নুড়িপাথর ব্যবহার না করাই ভালো।
যেসব জিনিস অবশ্যই শিশুর নাগালের বাইরে রাখবেন
শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবারের সদস্যদের সচেতনতার বিকল্প নেই। সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, তাই ঘরের প্রতিটি ছোট জিনিস কোথায় রাখা হচ্ছে, সে বিষয়ে বাড়তি নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
2.png)