জাতীয়
বাংলাদেশের প্রশাসনিক মানচিত্রে এক নতুন মাইলফলক রচিত হলো। দেশের উপজেলাগুলোর মোট সংখ্যা এখন পূর্ণ হলো ৫০০-তে। সর্বশেষ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন—বশিকপুর, দত্তপাড়া, উত্তর জয়পুর, চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, চরশাহী, দিঘলী, মান্দারী ও কুশাখালী—নিয়ে গঠিত হয়েছে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলা। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় এই সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রশাসনিক এই পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি বা নিকারের সুপারিশ ও অনুমোদনের ভিত্তিতে মূলত প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জনচাপ কমানোর লক্ষ্যেই এই নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর গোড়াপত্তন করা হয়েছে। সরকারি আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে এই নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নতুন এই উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম ধাপে ধাপে শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে এখানে উপজেলা পরিষদ, নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, থানা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
কেবল চন্দ্রগঞ্জই নয়, একই সময়ে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে সেবার মান নিশ্চিত করতে আরও চারটি উপজেলা গঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ থেকে পৃথক করে মোকামতলা, কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে মাতামুহুরী এবং ঠাকুরগাঁও সদর থেকে রুহিয়া ও ভুল্লী। সব মিলিয়ে পাঁচটি নতুন প্রশাসনিক ইউনিটের পথচলা শুরুর মাধ্যমে দেশের উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক বিস্তৃতি ঘটল।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, উপজেলা প্রশাসনিক একক হিসেবে যত বেশি শক্তিশালী হবে, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া ততই সহজতর হবে। নতুন এই উপজেলাগুলোর ফলে কেবল দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতাই দূর হবে না, বরং স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অনেক বেশি গতিশীল হবে। সরকারি সেবা পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে আর দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে না, যা গ্রামীণ জনপদে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
2.png)
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের প্রশাসনিক মানচিত্রে এক নতুন মাইলফলক রচিত হলো। দেশের উপজেলাগুলোর মোট সংখ্যা এখন পূর্ণ হলো ৫০০-তে। সর্বশেষ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন—বশিকপুর, দত্তপাড়া, উত্তর জয়পুর, চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, চরশাহী, দিঘলী, মান্দারী ও কুশাখালী—নিয়ে গঠিত হয়েছে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলা। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় এই সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রশাসনিক এই পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি বা নিকারের সুপারিশ ও অনুমোদনের ভিত্তিতে মূলত প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জনচাপ কমানোর লক্ষ্যেই এই নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর গোড়াপত্তন করা হয়েছে। সরকারি আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে এই নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নতুন এই উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম ধাপে ধাপে শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে এখানে উপজেলা পরিষদ, নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, থানা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
কেবল চন্দ্রগঞ্জই নয়, একই সময়ে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে সেবার মান নিশ্চিত করতে আরও চারটি উপজেলা গঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ থেকে পৃথক করে মোকামতলা, কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে মাতামুহুরী এবং ঠাকুরগাঁও সদর থেকে রুহিয়া ও ভুল্লী। সব মিলিয়ে পাঁচটি নতুন প্রশাসনিক ইউনিটের পথচলা শুরুর মাধ্যমে দেশের উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক বিস্তৃতি ঘটল।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, উপজেলা প্রশাসনিক একক হিসেবে যত বেশি শক্তিশালী হবে, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া ততই সহজতর হবে। নতুন এই উপজেলাগুলোর ফলে কেবল দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতাই দূর হবে না, বরং স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অনেক বেশি গতিশীল হবে। সরকারি সেবা পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে আর দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে না, যা গ্রামীণ জনপদে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
2.png)