জাতীয়
আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এ আমন্ত্রণ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে পৌঁছেছে।
ভারত সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনটি নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি নির্বাচিত কয়েকটি দেশের নেতারাও এতে অংশ নেবেন।
সূত্রগুলোর ভাষ্য, রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বেশ জোরালো। তিনি সম্মেলনে যোগ দিলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সেটিই হবে তাঁর প্রথম ভারত সফর।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সংযোগ এবং বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক উদ্যোগেও নতুন গতি আসতে পারে।
তবে সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কিংবা অন্যান্য কর্মসূচি নিয়ে এখনো বাংলাদেশ বা ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এ আমন্ত্রণ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে পৌঁছেছে।
ভারত সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনটি নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি নির্বাচিত কয়েকটি দেশের নেতারাও এতে অংশ নেবেন।
সূত্রগুলোর ভাষ্য, রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বেশ জোরালো। তিনি সম্মেলনে যোগ দিলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সেটিই হবে তাঁর প্রথম ভারত সফর।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সংযোগ এবং বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক উদ্যোগেও নতুন গতি আসতে পারে।
তবে সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কিংবা অন্যান্য কর্মসূচি নিয়ে এখনো বাংলাদেশ বা ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
2.png)