জাতীয়
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু ব্রেডে ক্ষতিকর অণুজীব ও বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (BCSIR) ইনস্টিটিউট অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (IFST) পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণার জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ৬০টি ব্রেডের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলো তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়—ব্র্যান্ড শপ, লোকাল শপ এবং স্ট্রিট শপ। তবে গবেষণায় কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, ব্র্যান্ড শপ থেকে সংগ্রহ করা ১০ শতাংশ নমুনায় প্রতি গ্রামে ১০০ CFU-এর বেশি ই-কোলাই (E. coli) পাওয়া গেছে, যা গ্রহণযোগ্য সীমার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। একই সঙ্গে ১০ শতাংশ নমুনায় সালমোনেলা এবং ১৫ শতাংশ নমুনায় ব্যাসিলাস (Bacillus spp.) শনাক্ত হয়েছে।
লোকাল শপ থেকে সংগৃহীত নমুনার ১০ শতাংশে ই-কোলাই, ১৫ শতাংশে সালমোনেলা এবং ১০ শতাংশে ব্যাসিলাস পাওয়া যায়। এছাড়া তিনটি নমুনায় আফলাটক্সিন B₁ ও B₂ শনাক্ত হয়েছে। এই শ্রেণির ব্রেডে ইস্ট ও মোল্ডের উপস্থিতিও তুলনামূলক বেশি ছিল।
অন্যদিকে স্ট্রিট শপ থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ২০ শতাংশে ই-কোলাই এবং ২০ শতাংশে সালমোনেলা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১০ শতাংশ নমুনায় ব্যাসিলাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, রেডি-টু-ইট (Ready-to-eat) খাদ্য হিসেবে ব্রেডে সালমোনেলার উপস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে ই-কোলাই সাধারণত মলজনিত দূষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়, যা উৎপাদন, সংরক্ষণ বা পরিবহন প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্যবিধির ঘাটতির ইঙ্গিত দিতে পারে।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু ব্রেডে ক্ষতিকর অণুজীব ও বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (BCSIR) ইনস্টিটিউট অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (IFST) পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণার জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ৬০টি ব্রেডের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলো তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়—ব্র্যান্ড শপ, লোকাল শপ এবং স্ট্রিট শপ। তবে গবেষণায় কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, ব্র্যান্ড শপ থেকে সংগ্রহ করা ১০ শতাংশ নমুনায় প্রতি গ্রামে ১০০ CFU-এর বেশি ই-কোলাই (E. coli) পাওয়া গেছে, যা গ্রহণযোগ্য সীমার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। একই সঙ্গে ১০ শতাংশ নমুনায় সালমোনেলা এবং ১৫ শতাংশ নমুনায় ব্যাসিলাস (Bacillus spp.) শনাক্ত হয়েছে।
লোকাল শপ থেকে সংগৃহীত নমুনার ১০ শতাংশে ই-কোলাই, ১৫ শতাংশে সালমোনেলা এবং ১০ শতাংশে ব্যাসিলাস পাওয়া যায়। এছাড়া তিনটি নমুনায় আফলাটক্সিন B₁ ও B₂ শনাক্ত হয়েছে। এই শ্রেণির ব্রেডে ইস্ট ও মোল্ডের উপস্থিতিও তুলনামূলক বেশি ছিল।
অন্যদিকে স্ট্রিট শপ থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ২০ শতাংশে ই-কোলাই এবং ২০ শতাংশে সালমোনেলা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১০ শতাংশ নমুনায় ব্যাসিলাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, রেডি-টু-ইট (Ready-to-eat) খাদ্য হিসেবে ব্রেডে সালমোনেলার উপস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে ই-কোলাই সাধারণত মলজনিত দূষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়, যা উৎপাদন, সংরক্ষণ বা পরিবহন প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্যবিধির ঘাটতির ইঙ্গিত দিতে পারে।
2.png)