প্রবাস
জুনের শুরুতেই প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবাহে যেন নতুন গতি এসেছে। চলতি মাসের প্রথম ছয় দিনে দেশে এসেছে ৬৮ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা বিনিময় হার ধরে যার দেশীয় মূল্যমান দাঁড়ায় আট হাজার ৩৮৮ কোটি ৩৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, রেমিট্যান্স আহরণের এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাস শেষে তা একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করবে।
ব্যাংকিং খাতের হিসাব অনুযায়ী, এই বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্সের বড় অংশই এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর হাত ধরে, যার পরিমাণ ৪১ কোটি ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে জমা হয়েছে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বিদেশ থেকে আসা এই আয়ের প্রবাহে বড় ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বিদেশি ব্যাংকগুলোর শাখাও সামান্য অবদান রেখেছে।
আহরিত রেমিট্যান্সের তালিকায় বরাবরই আধিপত্য ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। জুন মাসের প্রথম ছয় দিনে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে এই ব্যাংকের মাধ্যমে। ঠিক তার পরেই অবস্থান করছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, যাদের মাধ্যমে এসেছে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। তালিকায় এরপরেই রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক। তবে সব ব্যাংক যে সমানভাবে প্রবাসী আয়ের সুফল পাচ্ছে, তা নয়। জুন মাসের এই অল্প কয়েক দিনে ১১টি ব্যাংক কোনো প্রবাসী আয় সংগ্রহ করতে পারেনি, যার মধ্যে বেশ কিছু বিদেশি ব্যাংকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংকসহ অন্যান্য বিদেশি ও স্থানীয় ব্যাংকের এই শূন্যতা আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের জন্য নতুন ভাবনার খোরাক হতে পারে।
বিষয় : প্রবাসী আয় রেমিট্যান্স
2.png)
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
জুনের শুরুতেই প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবাহে যেন নতুন গতি এসেছে। চলতি মাসের প্রথম ছয় দিনে দেশে এসেছে ৬৮ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা বিনিময় হার ধরে যার দেশীয় মূল্যমান দাঁড়ায় আট হাজার ৩৮৮ কোটি ৩৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, রেমিট্যান্স আহরণের এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাস শেষে তা একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করবে।
ব্যাংকিং খাতের হিসাব অনুযায়ী, এই বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্সের বড় অংশই এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর হাত ধরে, যার পরিমাণ ৪১ কোটি ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে জমা হয়েছে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বিদেশ থেকে আসা এই আয়ের প্রবাহে বড় ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বিদেশি ব্যাংকগুলোর শাখাও সামান্য অবদান রেখেছে।
আহরিত রেমিট্যান্সের তালিকায় বরাবরই আধিপত্য ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। জুন মাসের প্রথম ছয় দিনে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে এই ব্যাংকের মাধ্যমে। ঠিক তার পরেই অবস্থান করছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, যাদের মাধ্যমে এসেছে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। তালিকায় এরপরেই রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক। তবে সব ব্যাংক যে সমানভাবে প্রবাসী আয়ের সুফল পাচ্ছে, তা নয়। জুন মাসের এই অল্প কয়েক দিনে ১১টি ব্যাংক কোনো প্রবাসী আয় সংগ্রহ করতে পারেনি, যার মধ্যে বেশ কিছু বিদেশি ব্যাংকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংকসহ অন্যান্য বিদেশি ও স্থানীয় ব্যাংকের এই শূন্যতা আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের জন্য নতুন ভাবনার খোরাক হতে পারে।
2.png)