প্রবাস
ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন দুই ভাই। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুরতায় সেই প্রবাসেই ঝরল তাদের প্রাণ। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১)। বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে রিয়াদ থেকে জেদ্দা ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই ভাই স্থানীয় খলিফা বাড়ির ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের সন্তান। তাদের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রিয় সন্তানদের হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা, বাড়িতে চলছে মাতম। এলাকাবাসী জানান, সজীব ও সুজন অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং অমায়িক স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তাদের এমন অকাল মৃত্যুতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের চোখে জল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সজীব ও সুজন জেদ্দায় ব্যবসা করতেন। ব্যবসার মালামাল কেনার জন্য তারা রিয়াদ শহরে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারটি রিয়াদ-জেদ্দা মহাসড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী গাড়ি সজোরে তাদের গাড়িটিকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়।
বাবা আব্দুল মালেক কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘একসঙ্গে আমার দুই ছেলেকে হারিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম। এখন একটাই চাওয়া, আমার ছেলেদের মরদেহ যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি।’ তিনি এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, প্রবাসে দুই বাংলাদেশি ভাই নিহতের বিষয়টি দুঃখজনক। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
বিষয় : সৌদি আরব
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন দুই ভাই। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুরতায় সেই প্রবাসেই ঝরল তাদের প্রাণ। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১)। বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে রিয়াদ থেকে জেদ্দা ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই ভাই স্থানীয় খলিফা বাড়ির ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের সন্তান। তাদের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রিয় সন্তানদের হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা, বাড়িতে চলছে মাতম। এলাকাবাসী জানান, সজীব ও সুজন অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং অমায়িক স্বভাবের মানুষ ছিলেন। তাদের এমন অকাল মৃত্যুতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের চোখে জল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সজীব ও সুজন জেদ্দায় ব্যবসা করতেন। ব্যবসার মালামাল কেনার জন্য তারা রিয়াদ শহরে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারটি রিয়াদ-জেদ্দা মহাসড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী গাড়ি সজোরে তাদের গাড়িটিকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়।
বাবা আব্দুল মালেক কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘একসঙ্গে আমার দুই ছেলেকে হারিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম। এখন একটাই চাওয়া, আমার ছেলেদের মরদেহ যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি।’ তিনি এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, প্রবাসে দুই বাংলাদেশি ভাই নিহতের বিষয়টি দুঃখজনক। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
2.png)