বিশ্বকাপ দামামা
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার আনন্দ বেশিক্ষণ নির্মল থাকল না আর্জেন্টিনার জন্য। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের পর মাঠেই রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত একটি ব্যানার প্রদর্শন করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন দলের কয়েকজন ফুটবলার।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ের পর উদ্যাপনের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা স্প্যানিশ ভাষায় লেখা একটি ব্যানার উঁচিয়ে ধরেন। সেখানে লেখা ছিল, "লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস", যার বাংলা অর্থ— ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’।
উদ্যাপনের সময় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এবং মিডফিল্ডার জিওভানি লো চেলসোকে ব্যানারটি হাতে নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশে প্রদর্শন করতে দেখা যায়। তবে ব্যানারটি কীভাবে মাঠের ভেতরে পৌঁছায় বা কারা এটি সরবরাহ করেছিলেন, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে বিতর্কের কারণ, ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধিতে রাজনৈতিক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর বার্তাসংবলিত ব্যানার, পতাকা, পোশাক কিংবা অন্য যেকোনো উপকরণ মাঠ বা স্টেডিয়ামের ভেতরে প্রদর্শন নিষিদ্ধ। ফলে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের এই কর্মকাণ্ড ফিফার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে ফিফার প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ঘটনাটি নিয়ে তারা আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট হয়নি।
বিষয় : আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড বিতর্ক
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার আনন্দ বেশিক্ষণ নির্মল থাকল না আর্জেন্টিনার জন্য। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের পর মাঠেই রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত একটি ব্যানার প্রদর্শন করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন দলের কয়েকজন ফুটবলার।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ের পর উদ্যাপনের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা স্প্যানিশ ভাষায় লেখা একটি ব্যানার উঁচিয়ে ধরেন। সেখানে লেখা ছিল, "লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস", যার বাংলা অর্থ— ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’।
উদ্যাপনের সময় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এবং মিডফিল্ডার জিওভানি লো চেলসোকে ব্যানারটি হাতে নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশে প্রদর্শন করতে দেখা যায়। তবে ব্যানারটি কীভাবে মাঠের ভেতরে পৌঁছায় বা কারা এটি সরবরাহ করেছিলেন, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে বিতর্কের কারণ, ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধিতে রাজনৈতিক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর বার্তাসংবলিত ব্যানার, পতাকা, পোশাক কিংবা অন্য যেকোনো উপকরণ মাঠ বা স্টেডিয়ামের ভেতরে প্রদর্শন নিষিদ্ধ। ফলে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের এই কর্মকাণ্ড ফিফার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে ফিফার প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ঘটনাটি নিয়ে তারা আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট হয়নি।
2.png)