আইনস্টাইনের আলোর গতির ওপর ক্লাস হচ্ছে। স্যার খুব গম্ভীর হয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে ইকুয়েশন লিখছেন।
শিক্ষক: (চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে) এই হোসেন, ক্লাসে তো অনেক সময় আছিস, বল তো আইনস্টাইন আলোর বেগটা মেপেছিলেন কীভাবে?
হোসেন: (গম্ভীর মুখে চুলে আঙুল চালিয়ে) স্যার, লজিকটা খুব সিম্পল। আইনস্টাইন সাহেব তো আর সাধারণ মানুষ ছিলেন না। উনি একটা বিশাল বড় ফিতা কিনেছিলেন—মানে সেই যে দর্জিরা ব্যবহার করে, তবে ওটা ছিল দুইশ' গজ লম্বা। তারপর...
শিক্ষক: (চোখ বড় বড় করে) তারপর?
হোসেন: তারপর উনি আলোর পেছনে দৌড় শুরু করেছিলেন, স্যার! আলো যেদিকে যায়, উনি ফিতাটা সেদিকেই টেনে ধরতেন। কিন্তু আলো বড্ড চঞ্চল, ধরতেই পারতেন না। শেষমেশ উনি বিরক্ত হয়ে আলোর গতির হিসাবটা আন্দাজেই বসিয়ে দিলেন, যাতে খাতাটা জমা দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।
নান্টু: (মাঝপথে বাধা দিয়ে) ধুর গাধা! স্যার, উইন্ডোজের মাথায় কিচ্ছু নেই। আলো কি আর ট্রাউজার যে ফিতা দিয়ে মাপতে হবে? ওটা তো আলুর মতো বস্তাভর্তি জিনিস!
শিক্ষক: (হতভম্ব হয়ে) আলুর মতো?
নান্টু: অবশ্যই স্যার! আলো তো ভারী, তাই ওটা ওজন করার জন্য আইনস্টাইন একটা মস্ত বড় পাল্লা বানিয়েছিলেন। একদিকে এক পাল্লায় এক গাদা আলো ভরতেন, আর অন্যদিকে পাথর বসাতেন। তো এক পাল্লায় কতটুকু পাথর ধরে, সেটাই ছিল আলোর ওজন। আর সময় মাপার জন্য উনি একটা স্যান্ড-টাইমার বা বালির ঘড়ি ব্যবহার করেছিলেন। আলো পড়ে যেত পাল্লায়, আর বালি পড়ত ঘড়িতে—এভাবেই হিসাবটা মিললো। আইনস্টাইন তো আসলে ফিজিক্সের টিচার না, উনি ছিলেন তখনকার যুগের সবচাইতে বড় 'সবজি বিক্রেতা', স্যার!
শিক্ষক: (কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে) তোদের এই মহাজাগতিক জ্ঞানের কাছে আমার ফিজিক্সের ডিগ্রি তো ফেলনা। তোরা যেভাবে ভাবছিস, তাতে আইনস্টাইন যদি এখন বেঁচে থাকতেন, তবে তিনি নিজেই নিজের থিওরি ছিঁড়ে ফেলে তোদের কাছে টিউশনি নিতে চলে আসতেন! সাবাস!
বিষয় : আইনস্টাইনের আলোর গতি
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
আইনস্টাইনের আলোর গতির ওপর ক্লাস হচ্ছে। স্যার খুব গম্ভীর হয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে ইকুয়েশন লিখছেন।
শিক্ষক: (চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে) এই হোসেন, ক্লাসে তো অনেক সময় আছিস, বল তো আইনস্টাইন আলোর বেগটা মেপেছিলেন কীভাবে?
হোসেন: (গম্ভীর মুখে চুলে আঙুল চালিয়ে) স্যার, লজিকটা খুব সিম্পল। আইনস্টাইন সাহেব তো আর সাধারণ মানুষ ছিলেন না। উনি একটা বিশাল বড় ফিতা কিনেছিলেন—মানে সেই যে দর্জিরা ব্যবহার করে, তবে ওটা ছিল দুইশ' গজ লম্বা। তারপর...
শিক্ষক: (চোখ বড় বড় করে) তারপর?
হোসেন: তারপর উনি আলোর পেছনে দৌড় শুরু করেছিলেন, স্যার! আলো যেদিকে যায়, উনি ফিতাটা সেদিকেই টেনে ধরতেন। কিন্তু আলো বড্ড চঞ্চল, ধরতেই পারতেন না। শেষমেশ উনি বিরক্ত হয়ে আলোর গতির হিসাবটা আন্দাজেই বসিয়ে দিলেন, যাতে খাতাটা জমা দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।
নান্টু: (মাঝপথে বাধা দিয়ে) ধুর গাধা! স্যার, উইন্ডোজের মাথায় কিচ্ছু নেই। আলো কি আর ট্রাউজার যে ফিতা দিয়ে মাপতে হবে? ওটা তো আলুর মতো বস্তাভর্তি জিনিস!
শিক্ষক: (হতভম্ব হয়ে) আলুর মতো?
নান্টু: অবশ্যই স্যার! আলো তো ভারী, তাই ওটা ওজন করার জন্য আইনস্টাইন একটা মস্ত বড় পাল্লা বানিয়েছিলেন। একদিকে এক পাল্লায় এক গাদা আলো ভরতেন, আর অন্যদিকে পাথর বসাতেন। তো এক পাল্লায় কতটুকু পাথর ধরে, সেটাই ছিল আলোর ওজন। আর সময় মাপার জন্য উনি একটা স্যান্ড-টাইমার বা বালির ঘড়ি ব্যবহার করেছিলেন। আলো পড়ে যেত পাল্লায়, আর বালি পড়ত ঘড়িতে—এভাবেই হিসাবটা মিললো। আইনস্টাইন তো আসলে ফিজিক্সের টিচার না, উনি ছিলেন তখনকার যুগের সবচাইতে বড় 'সবজি বিক্রেতা', স্যার!
শিক্ষক: (কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে) তোদের এই মহাজাগতিক জ্ঞানের কাছে আমার ফিজিক্সের ডিগ্রি তো ফেলনা। তোরা যেভাবে ভাবছিস, তাতে আইনস্টাইন যদি এখন বেঁচে থাকতেন, তবে তিনি নিজেই নিজের থিওরি ছিঁড়ে ফেলে তোদের কাছে টিউশনি নিতে চলে আসতেন! সাবাস!
2.png)