আইটি বিশ্ব
প্রতিদিনের ব্যস্ত সকালে একসঙ্গে ক্যালেন্ডার দেখা, আবহাওয়ার খবর জানা, অফিসে পৌঁছানোর সময় হিসাব করা কিংবা প্রয়োজনীয় অ্যাপ চালু করতে গিয়ে অনেকেরই মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের Shortcuts অ্যাপ এই ঝামেলা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। কয়েকটি সহজ অটোমেশন ব্যবহার করেই দৈনন্দিন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব।
অ্যাপল জানিয়েছে, ভবিষ্যতের iOS 27 সংস্করণে Apple Intelligence–এর সহায়তায় সাধারণ ভাষায় নির্দেশ দিলেই কাস্টম শর্টকাট তৈরি করা যাবে। তবে নতুন সংস্করণ আসার আগেই ব্যবহারকারীরা কয়েকটি কার্যকর শর্টকাট ব্যবহার করে সকালের রুটিন আরও সহজ করতে পারেন।
দিনের শুরুতে প্রয়োজনীয় তথ্য এক জায়গায় দেখতে চাইলে ‘মর্নিং সামারি’ শর্টকাট বেশ কার্যকর। এটি ক্যালেন্ডারে থাকা দিনের সূচি, গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার এবং স্থানীয় আবহাওয়ার তথ্য—যেমন তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিমাণ—একসঙ্গে দেখায়।
অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স সমর্থিত ডিভাইসে এসব তথ্য গোছানো বুলেট পয়েন্ট আকারে উপস্থাপন করা হয়। ফলে আলাদা করে একাধিক অ্যাপ খুলতে হয় না।
অফিসে ঠিক কখন রওনা হওয়া উচিত, সেটিও জানিয়ে দিতে পারে একটি শর্টকাট। এটি লাইভ ট্রাফিক, বাসা ও অফিসের অবস্থান, নির্ধারিত অফিস সময় এবং প্রয়োজনীয় হাঁটার সময় বিশ্লেষণ করে বাসা থেকে বের হওয়ার উপযুক্ত সময় জানিয়ে দেয়।
ফলে প্রতিদিন নেভিগেশন অ্যাপ খুলে ট্রাফিক পরিস্থিতি পরীক্ষা করার প্রয়োজন কমে যায়।
কোনো কারণে অফিসে পৌঁছাতে দেরি হলে ‘রানিং লেট’ শর্টকাট কাজে আসে। এটি ক্যালেন্ডারে থাকা মিটিং বা ইভেন্টের অবস্থান অনুযায়ী সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় নির্ধারণ করে এবং সহকর্মী বা ম্যানেজারের জন্য একটি বার্তার খসড়া তৈরি করে দেয়।
ব্যবহারকারী শুধু বার্তাটি দেখে পাঠিয়ে দিলেই হয়।
অফিসে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ ভুলে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে ‘রিমাইন্ড মি অ্যাট ওয়ার্ক’ শর্টকাট ব্যবহার করা যায়।
প্রথমবার অফিসের ঠিকানা সংযুক্ত করার পর ব্যবহারকারী শুধু কাজের বিষয়টি লিখে রাখবেন। অফিসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আইফোন সেই রিমাইন্ডার স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।
একটি শর্টকাটের মধ্যেই একাধিক কাজ যুক্ত করে ব্যক্তিগত ‘মর্নিং রুটিন’ তৈরি করা যায়। যেমন—
কফি বা ব্যায়ামের টাইমার চালু করা।
পছন্দের প্লেলিস্ট চালানো।
প্রয়োজনীয় ইমেইল বা কাজের অ্যাপ খুলে দেওয়া।
মিডিয়ার ভলিউম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করা।
নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব কাজ যুক্ত করে প্রতিদিনের সকালের রুটিন আরও সহজ ও দ্রুত করা সম্ভব।
অ্যাপলের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন iOS 27 সংস্করণে Apple Intelligence যুক্ত হওয়ার পর শর্টকাট তৈরির প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। ব্যবহারকারী কী ধরনের অটোমেশন চান, তা শুধু লিখে বা বলে দিলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই প্রয়োজনীয় শর্টকাট তৈরি করে দেবে।
এর ফলে প্রযুক্তিগত জটিলতা ছাড়াই সাধারণ ব্যবহারকারীরাও সহজে আইফোনের অটোমেশন সুবিধা কাজে লাগাতে পারবেন।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রতিদিনের ব্যস্ত সকালে একসঙ্গে ক্যালেন্ডার দেখা, আবহাওয়ার খবর জানা, অফিসে পৌঁছানোর সময় হিসাব করা কিংবা প্রয়োজনীয় অ্যাপ চালু করতে গিয়ে অনেকেরই মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের Shortcuts অ্যাপ এই ঝামেলা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। কয়েকটি সহজ অটোমেশন ব্যবহার করেই দৈনন্দিন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব।
অ্যাপল জানিয়েছে, ভবিষ্যতের iOS 27 সংস্করণে Apple Intelligence–এর সহায়তায় সাধারণ ভাষায় নির্দেশ দিলেই কাস্টম শর্টকাট তৈরি করা যাবে। তবে নতুন সংস্করণ আসার আগেই ব্যবহারকারীরা কয়েকটি কার্যকর শর্টকাট ব্যবহার করে সকালের রুটিন আরও সহজ করতে পারেন।
দিনের শুরুতে প্রয়োজনীয় তথ্য এক জায়গায় দেখতে চাইলে ‘মর্নিং সামারি’ শর্টকাট বেশ কার্যকর। এটি ক্যালেন্ডারে থাকা দিনের সূচি, গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার এবং স্থানীয় আবহাওয়ার তথ্য—যেমন তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিমাণ—একসঙ্গে দেখায়।
অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স সমর্থিত ডিভাইসে এসব তথ্য গোছানো বুলেট পয়েন্ট আকারে উপস্থাপন করা হয়। ফলে আলাদা করে একাধিক অ্যাপ খুলতে হয় না।
অফিসে ঠিক কখন রওনা হওয়া উচিত, সেটিও জানিয়ে দিতে পারে একটি শর্টকাট। এটি লাইভ ট্রাফিক, বাসা ও অফিসের অবস্থান, নির্ধারিত অফিস সময় এবং প্রয়োজনীয় হাঁটার সময় বিশ্লেষণ করে বাসা থেকে বের হওয়ার উপযুক্ত সময় জানিয়ে দেয়।
ফলে প্রতিদিন নেভিগেশন অ্যাপ খুলে ট্রাফিক পরিস্থিতি পরীক্ষা করার প্রয়োজন কমে যায়।
কোনো কারণে অফিসে পৌঁছাতে দেরি হলে ‘রানিং লেট’ শর্টকাট কাজে আসে। এটি ক্যালেন্ডারে থাকা মিটিং বা ইভেন্টের অবস্থান অনুযায়ী সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় নির্ধারণ করে এবং সহকর্মী বা ম্যানেজারের জন্য একটি বার্তার খসড়া তৈরি করে দেয়।
ব্যবহারকারী শুধু বার্তাটি দেখে পাঠিয়ে দিলেই হয়।
অফিসে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ ভুলে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে ‘রিমাইন্ড মি অ্যাট ওয়ার্ক’ শর্টকাট ব্যবহার করা যায়।
প্রথমবার অফিসের ঠিকানা সংযুক্ত করার পর ব্যবহারকারী শুধু কাজের বিষয়টি লিখে রাখবেন। অফিসে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আইফোন সেই রিমাইন্ডার স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।
একটি শর্টকাটের মধ্যেই একাধিক কাজ যুক্ত করে ব্যক্তিগত ‘মর্নিং রুটিন’ তৈরি করা যায়। যেমন—
কফি বা ব্যায়ামের টাইমার চালু করা।
পছন্দের প্লেলিস্ট চালানো।
প্রয়োজনীয় ইমেইল বা কাজের অ্যাপ খুলে দেওয়া।
মিডিয়ার ভলিউম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করা।
নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব কাজ যুক্ত করে প্রতিদিনের সকালের রুটিন আরও সহজ ও দ্রুত করা সম্ভব।
অ্যাপলের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন iOS 27 সংস্করণে Apple Intelligence যুক্ত হওয়ার পর শর্টকাট তৈরির প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। ব্যবহারকারী কী ধরনের অটোমেশন চান, তা শুধু লিখে বা বলে দিলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই প্রয়োজনীয় শর্টকাট তৈরি করে দেবে।
এর ফলে প্রযুক্তিগত জটিলতা ছাড়াই সাধারণ ব্যবহারকারীরাও সহজে আইফোনের অটোমেশন সুবিধা কাজে লাগাতে পারবেন।
2.png)