সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 রাজনীতিরাজনীতি

সংবিধান ইস্যুতে বিশেষ কমিটি বনাম সংস্কার পরিষদে রাজনৈতিক অচলাবস্থা

সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির পথেই এগোতে চায় সরকার। অন্যদিকে বিরোধী দল সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।

সংবিধান ইস্যুতে বিশেষ কমিটি বনাম সংস্কার পরিষদে রাজনৈতিক অচলাবস্থা
ছবি -সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কারকে ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের অবস্থান আরও মুখোমুখি হয়ে উঠেছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে সরকার বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংশোধনী আনার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দল এই প্রক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে এবং আন্দোলন আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটি রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ তৈরি করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী কমিটিতে সদস্য থাকার কথা ছিল ১৭ জনের। বিরোধী দলকে পাঁচজনের নাম দিতে বলা হলেও তারা তা না দেওয়ায় পাঁচটি পদ আপাতত শূন্য রাখা হয়েছে।

কমিটিতে বিএনপির আটজন সংসদ সদস্যের পাশাপাশি গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলিউল্লাহকে রাখা হয়েছে।

তবে মো. অলিউল্লাহ জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, কমিটি গঠনের সময় তিনি সংসদে উপস্থিত ছিলেন না এবং পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন।

ইসলামী আন্দোলনের এই সংসদ সদস্য বলেন, তাঁদের দল জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষেই রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ যে মত দিয়েছেন, তা উপেক্ষা করা যায় না। সরকারের বর্তমান অবস্থান জনগণের সেই রায়ের প্রতি অমর্যাদা প্রদর্শনের শামিল।

সংসদে বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমানও বিশেষ কমিটির বিরোধিতা করে বলেন, তাঁরা সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন। তাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থেকে বিশেষ কমিটির প্রস্তাব মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জনগণের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন হওয়া উচিত। সরকার যদি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসার বৈধতা গ্রহণ করে, তবে গণভোটে দেওয়া সংবিধান সংস্কারের রায়কেও সম্মান জানাতে হবে। অন্যথায় রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিধান যুক্ত করতে হলেও আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার পরই পরবর্তী সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। তাঁর মতে, এ বিষয়ে আলোচনার যথাযথ ক্ষেত্র হলো সংসদের বিশেষ কমিটি।

এর আগে ২৯ এপ্রিল আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। তখনও বিরোধী দলকে সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানানো হলেও তারা এতে অংশ নেয়নি।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ ছাড়া রাষ্ট্রব্যবস্থায় মৌলিক ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, সরকার সেই পথ এড়িয়ে গিয়ে দেশকে নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান।

বিরোধী জোটের নেতারা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতিবাদ শুধু সংসদে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সংসদের ভেতরে বিশেষ কমিটির বিরোধিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গণভোটের পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জাতীয় অঙ্গীকারে পরিণত হয়েছিল। সরকারের বর্তমান অবস্থান সেই অঙ্গীকার থেকে সরে আসার শামিল। তাই সংসদের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়েও আন্দোলন সংগঠিত করা হবে।

জামায়াতের আরেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান প্রশ্ন তোলেন, অতীতে সংবিধান সংশোধনের সময় বিশেষ কমিটির প্রয়োজন হয়নি, এবার কেন হলো। তাঁর দাবি, আগের একাধিক সংশোধনী আদালতে বাতিল হয়েছে। সে অভিজ্ঞতা থেকেই বিরোধী দল মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের জন্য আলাদা সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

বিশেষ কমিটি গঠনের সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনও। এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটে জনগণ মৌলিক সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সেই রায় উপেক্ষা করে সরকার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে।

বর্তমান বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংবিধান পরিবর্তনের দুই ভিন্ন পদ্ধতি। সরকার বিদ্যমান সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংশোধনী আনার পক্ষে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিরোধী জোটের দাবি, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পৃথক সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সেখানে প্রস্তাবিত সাংবিধানিক পরিবর্তন বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, এটি কেবল সংবিধান সংশোধনের বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্রের মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের প্রশ্ন।

বিষয় : সংবিধান সংস্কার বিশেষ কমিটি সংস্কার পরিষদ

কাল মহাকাল

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


সংবিধান ইস্যুতে বিশেষ কমিটি বনাম সংস্কার পরিষদে রাজনৈতিক অচলাবস্থা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

সংবিধান সংস্কারকে ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের অবস্থান আরও মুখোমুখি হয়ে উঠেছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে সরকার বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংশোধনী আনার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দল এই প্রক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে এবং আন্দোলন আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটি রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ তৈরি করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী কমিটিতে সদস্য থাকার কথা ছিল ১৭ জনের। বিরোধী দলকে পাঁচজনের নাম দিতে বলা হলেও তারা তা না দেওয়ায় পাঁচটি পদ আপাতত শূন্য রাখা হয়েছে।

কমিটিতে বিএনপির আটজন সংসদ সদস্যের পাশাপাশি গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলিউল্লাহকে রাখা হয়েছে।

তবে মো. অলিউল্লাহ জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, কমিটি গঠনের সময় তিনি সংসদে উপস্থিত ছিলেন না এবং পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন।

ইসলামী আন্দোলনের এই সংসদ সদস্য বলেন, তাঁদের দল জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষেই রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ যে মত দিয়েছেন, তা উপেক্ষা করা যায় না। সরকারের বর্তমান অবস্থান জনগণের সেই রায়ের প্রতি অমর্যাদা প্রদর্শনের শামিল।

সংসদে বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমানও বিশেষ কমিটির বিরোধিতা করে বলেন, তাঁরা সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন। তাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থেকে বিশেষ কমিটির প্রস্তাব মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জনগণের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন হওয়া উচিত। সরকার যদি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসার বৈধতা গ্রহণ করে, তবে গণভোটে দেওয়া সংবিধান সংস্কারের রায়কেও সম্মান জানাতে হবে। অন্যথায় রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিধান যুক্ত করতে হলেও আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার পরই পরবর্তী সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। তাঁর মতে, এ বিষয়ে আলোচনার যথাযথ ক্ষেত্র হলো সংসদের বিশেষ কমিটি।

এর আগে ২৯ এপ্রিল আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। তখনও বিরোধী দলকে সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানানো হলেও তারা এতে অংশ নেয়নি।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ ছাড়া রাষ্ট্রব্যবস্থায় মৌলিক ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, সরকার সেই পথ এড়িয়ে গিয়ে দেশকে নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান।

বিরোধী জোটের নেতারা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতিবাদ শুধু সংসদে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সংসদের ভেতরে বিশেষ কমিটির বিরোধিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান বলেন, গণভোটের পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন জাতীয় অঙ্গীকারে পরিণত হয়েছিল। সরকারের বর্তমান অবস্থান সেই অঙ্গীকার থেকে সরে আসার শামিল। তাই সংসদের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়েও আন্দোলন সংগঠিত করা হবে।

জামায়াতের আরেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান প্রশ্ন তোলেন, অতীতে সংবিধান সংশোধনের সময় বিশেষ কমিটির প্রয়োজন হয়নি, এবার কেন হলো। তাঁর দাবি, আগের একাধিক সংশোধনী আদালতে বাতিল হয়েছে। সে অভিজ্ঞতা থেকেই বিরোধী দল মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের জন্য আলাদা সংস্কার পরিষদ গঠনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

বিশেষ কমিটি গঠনের সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনও। এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটে জনগণ মৌলিক সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সেই রায় উপেক্ষা করে সরকার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে।

বর্তমান বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংবিধান পরিবর্তনের দুই ভিন্ন পদ্ধতি। সরকার বিদ্যমান সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংশোধনী আনার পক্ষে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বিরোধী জোটের দাবি, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পৃথক সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সেখানে প্রস্তাবিত সাংবিধানিক পরিবর্তন বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, এটি কেবল সংবিধান সংশোধনের বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্রের মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের প্রশ্ন।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত