জাতীয়
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে তুমুল আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দল আওয়ামী লীগের দলগত বিচার দ্রুত শুরু, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর এবং তাকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জানানোর দাবি জানিয়েছে। জবাবে সরকার জানিয়েছে, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণের সুযোগ নয়, সরাসরি গ্রেপ্তার করা হবে।
মঙ্গলবার সংসদে বিধি-৬৮ অনুযায়ী ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ বিষয়ে জরুরি জনস্বার্থে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ বিষয়ে নোটিশ দেন এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে সরকার আন্তরিক। তিনি দাবি করেন, এ বিষয়ে আইন প্রণয়নে সরকারই উদ্যোগ নিয়েছে এবং সংসদে তা পাস করতেও ভূমিকা রেখেছে। তাঁর ভাষায়, আওয়ামী লীগের বিচার দাবি তিনিই প্রথম সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সেই রায়ের প্রতি সম্মান জানাতে হলে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নিয়ে আলোচনা করা উচিত ছিল। কিন্তু বিরোধী দল কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে লক্ষ্যেই সংবিধান ও রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আহত জুলাই যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রতিবেশী দেশকে বদলানো যায় না। তাই জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতেই সরকার এগোচ্ছে বলে তিনি জানান।
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাগিদ দিচ্ছে। বিভিন্ন মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আরও কয়েকজন আসামিকেও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই ছিল দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের নিপীড়নের চূড়ান্ত পরিণতি। এই সময়ে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার মানুষের বিচার নিশ্চিত না হলে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হবে। তিনি বলেন, বিচার হতে হবে দ্রুত, তবে অবশ্যই ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের একটি বড় অংশের গণমাধ্যম অতীতে স্বৈরাচারকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল। এখনো তারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ জানতে চান। সীমান্ত ইস্যুতেও সরকারের আরও দৃঢ় অবস্থান প্রত্যাশা করেন তিনি।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৬টি তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে, চারটি মামলায় অভিযোগ গঠন এবং তিনটি মামলায় রায় হয়েছে। শাপলা চত্বরের ঘটনার তদন্তও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে এবং জুলাই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের বক্তব্য এলেও বাংলাদেশের আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই। তিনি দেশে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেপ্তার হবেন—এটি সরকারের অঙ্গীকার।
এনসিপির চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, যে রাজনৈতিক দল দুই দফা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে গণহত্যা, গণতন্ত্র ধ্বংস এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে, সেই আওয়ামী লীগের দলগত বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হওয়া উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এবং আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালিয়েছে। এমনকি সরকারের কিছু সদস্যের বক্তব্যেও সেই বয়ানের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন প্রসিকিউশন টিম এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ এবং ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনাও জানতে চান তিনি।
আলোচনার সূচনা করা আখতার হোসেন বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তাই শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত শাস্তি কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরুর জন্য সরকারের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গণ-অধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য নূরুল হক বলেন, ফ্যাসিবাদের বিচার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি। ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো স্বৈরাচারী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে গণবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে জন্য আওয়ামী লীগের দলগত বিচার প্রয়োজন। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়েও সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট নীতিগত সমঝোতার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম ও রোকেয়া বেগমও অংশ নেন।
2.png)
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে তুমুল আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দল আওয়ামী লীগের দলগত বিচার দ্রুত শুরু, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর এবং তাকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জানানোর দাবি জানিয়েছে। জবাবে সরকার জানিয়েছে, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণের সুযোগ নয়, সরাসরি গ্রেপ্তার করা হবে।
মঙ্গলবার সংসদে বিধি-৬৮ অনুযায়ী ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ বিষয়ে জরুরি জনস্বার্থে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ বিষয়ে নোটিশ দেন এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে সরকার আন্তরিক। তিনি দাবি করেন, এ বিষয়ে আইন প্রণয়নে সরকারই উদ্যোগ নিয়েছে এবং সংসদে তা পাস করতেও ভূমিকা রেখেছে। তাঁর ভাষায়, আওয়ামী লীগের বিচার দাবি তিনিই প্রথম সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সেই রায়ের প্রতি সম্মান জানাতে হলে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নিয়ে আলোচনা করা উচিত ছিল। কিন্তু বিরোধী দল কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে লক্ষ্যেই সংবিধান ও রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আহত জুলাই যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রতিবেশী দেশকে বদলানো যায় না। তাই জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতেই সরকার এগোচ্ছে বলে তিনি জানান।
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাগিদ দিচ্ছে। বিভিন্ন মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আরও কয়েকজন আসামিকেও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই ছিল দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের নিপীড়নের চূড়ান্ত পরিণতি। এই সময়ে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার মানুষের বিচার নিশ্চিত না হলে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হবে। তিনি বলেন, বিচার হতে হবে দ্রুত, তবে অবশ্যই ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের একটি বড় অংশের গণমাধ্যম অতীতে স্বৈরাচারকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছিল। এখনো তারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ জানতে চান। সীমান্ত ইস্যুতেও সরকারের আরও দৃঢ় অবস্থান প্রত্যাশা করেন তিনি।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৬টি তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে, চারটি মামলায় অভিযোগ গঠন এবং তিনটি মামলায় রায় হয়েছে। শাপলা চত্বরের ঘটনার তদন্তও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে এবং জুলাই হত্যাকাণ্ড নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের বক্তব্য এলেও বাংলাদেশের আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই। তিনি দেশে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেপ্তার হবেন—এটি সরকারের অঙ্গীকার।
এনসিপির চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, যে রাজনৈতিক দল দুই দফা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে গণহত্যা, গণতন্ত্র ধ্বংস এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে, সেই আওয়ামী লীগের দলগত বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হওয়া উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এবং আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালিয়েছে। এমনকি সরকারের কিছু সদস্যের বক্তব্যেও সেই বয়ানের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন প্রসিকিউশন টিম এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ এবং ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনাও জানতে চান তিনি।
আলোচনার সূচনা করা আখতার হোসেন বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তাই শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত শাস্তি কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরুর জন্য সরকারের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গণ-অধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য নূরুল হক বলেন, ফ্যাসিবাদের বিচার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি। ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো স্বৈরাচারী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে গণবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে জন্য আওয়ামী লীগের দলগত বিচার প্রয়োজন। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়েও সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট নীতিগত সমঝোতার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম ও রোকেয়া বেগমও অংশ নেন।
2.png)