আন্তর্জাতিক
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই তেহরানে পৌঁছেছে রাশিয়ার একটি বিশেষ সামরিক উড়োজাহাজ। সোমবার (১৩ জুলাই) বিমানটির আগমনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, আরএ-৬৪৫৩১ নিবন্ধন নম্বরের টুপোলেভ টিইউ-২১৪পিইউ উড়োজাহাজটি আরএসডি৪২০ কলসাইন ব্যবহার করে মস্কো থেকে উড্ডয়ন করে সোমবার সকালে তেহরানে অবতরণ করে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিমানটিকে প্রায়ই ‘ডুমসডে প্লেন’ নামে উল্লেখ করা হলেও এটি প্রকৃত অর্থে পারমাণবিক যুদ্ধ পরিচালনার আকাশভিত্তিক কমান্ড সেন্টার নয়। টিইউ-২১৪পিইউ মূলত রাশিয়ার শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত একটি বিশেষ উড়োজাহাজ, যা দেশটির স্পেশাল ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের অধীন পরিচালিত হয়।
রাশিয়া বা ইরান—কোনো পক্ষই এবারের সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে অতীতের বিভিন্ন সফরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই উড়োজাহাজ সাধারণত উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদলের বিদেশ সফরের সময় ব্যবহার করা হয়।
গত ১৬ জুন একই বিমান উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে গিয়েছিল। সেদিনই সেখানে উজবেক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন।
এর আগে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার কয়েক দিন আগে, একই উড়োজাহাজ তেহরানে গিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করেছিল। সে সময় ধারণা করা হয়েছিল, রাশিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী সের্গেই সিভিলেভের সফরের সহায়তায় এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভও তেহরান সফর করেন।
গত বছরের নভেম্বরে বিমানটি পাকিস্তানের ইসলামাবাদেও গিয়েছিল। ওই সফরেও সের্গেই সিভিলেভ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।
গত এক বছরের সফরসূচি পর্যালোচনা করে বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারও বিমানটির আগমন কোনো উচ্চপর্যায়ের রুশ প্রতিনিধি দলের সফরের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে। একই সঙ্গে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সম্ভাব্য তেহরান সফরের পথও এটি সুগম করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, ১৩ জুলাই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনের বরাত দিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সের্গেই ল্যাভরভের সম্ভাব্য তেহরান সফরের বিষয়টি ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
2.png)
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই তেহরানে পৌঁছেছে রাশিয়ার একটি বিশেষ সামরিক উড়োজাহাজ। সোমবার (১৩ জুলাই) বিমানটির আগমনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, আরএ-৬৪৫৩১ নিবন্ধন নম্বরের টুপোলেভ টিইউ-২১৪পিইউ উড়োজাহাজটি আরএসডি৪২০ কলসাইন ব্যবহার করে মস্কো থেকে উড্ডয়ন করে সোমবার সকালে তেহরানে অবতরণ করে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিমানটিকে প্রায়ই ‘ডুমসডে প্লেন’ নামে উল্লেখ করা হলেও এটি প্রকৃত অর্থে পারমাণবিক যুদ্ধ পরিচালনার আকাশভিত্তিক কমান্ড সেন্টার নয়। টিইউ-২১৪পিইউ মূলত রাশিয়ার শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত একটি বিশেষ উড়োজাহাজ, যা দেশটির স্পেশাল ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের অধীন পরিচালিত হয়।
রাশিয়া বা ইরান—কোনো পক্ষই এবারের সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে অতীতের বিভিন্ন সফরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই উড়োজাহাজ সাধারণত উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদলের বিদেশ সফরের সময় ব্যবহার করা হয়।
গত ১৬ জুন একই বিমান উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে গিয়েছিল। সেদিনই সেখানে উজবেক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন।
এর আগে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার কয়েক দিন আগে, একই উড়োজাহাজ তেহরানে গিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করেছিল। সে সময় ধারণা করা হয়েছিল, রাশিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী সের্গেই সিভিলেভের সফরের সহায়তায় এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভও তেহরান সফর করেন।
গত বছরের নভেম্বরে বিমানটি পাকিস্তানের ইসলামাবাদেও গিয়েছিল। ওই সফরেও সের্গেই সিভিলেভ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।
গত এক বছরের সফরসূচি পর্যালোচনা করে বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারও বিমানটির আগমন কোনো উচ্চপর্যায়ের রুশ প্রতিনিধি দলের সফরের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে। একই সঙ্গে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সম্ভাব্য তেহরান সফরের পথও এটি সুগম করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, ১৩ জুলাই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনের বরাত দিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সের্গেই ল্যাভরভের সম্ভাব্য তেহরান সফরের বিষয়টি ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
2.png)