সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 অর্থনীতিঅর্থনীতি

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারেঃ আইএমএফ

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে রাজস্ব, ব্যাংকিং খাত ও অর্থনৈতিক সংস্কারে বিলম্ব হলে মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধি আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারেঃ আইএমএফ
ছবি -সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে কঠিন সময়ের ইঙ্গিত দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। তবে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে দেরি হলে আগামী কয়েক বছরে এ হার ৩ শতাংশেরও নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা সফর শেষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমন মূল্যায়ন তুলে ধরে আইএমএফ। ১২ জুলাই শুরু হওয়া সফরে সংস্থাটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনার। সফরের শেষ দিনে তারা অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করে প্রতিনিধিদল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। অথচ চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আইএমএফের পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে সেই লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হবে।

অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন বিনিয়োগ এবং মানুষের আয় বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগের গতি শ্লথ হওয়ার পাশাপাশি বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রকৃত আয় ও ভোগব্যয়ের ওপর, যা শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকেই আরও মন্থর করে দিতে পারে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই অর্থনৈতিক সংস্কার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে কিছু পরিবর্তন হয়েছে এবং বাকি সংস্কারও সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি জানান, সরকারের পূর্বঘোষিত নীতিগত দিকনির্দেশনাকেই ভবিষ্যৎ কর্মসূচির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আইএমএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখনো রাজস্ব আহরণ, আর্থিক খাত এবং মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে, একই সঙ্গে ভর্তুকি ব্যয়ও বেড়েছে। এতে সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে প্রবাসী আয় ইতিবাচক থাকলেও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক খাতও চাপের মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকিও এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

আইএমএফের মতে, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আরও যৌক্তিক করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়ন ব্যয়ে পর্যাপ্ত অর্থায়নের জন্য রাজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে আইএমএফ। পাশাপাশি ফলপ্রসূ রাজস্বনীতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে চালু হওয়া ‘ক্রলিং পেগ’ ভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হলে বিনিময় হার আরও নমনীয় হবে এবং বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা শক্তিশালী হবে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন একটি সুস্পষ্ট, সমন্বিত ও বিশ্বাসযোগ্য কৌশলের আওতায় পরিচালনা করা প্রয়োজন। আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যাংকিং খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সুশৃঙ্খল সমাধান জরুরি।

বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা সফরের পর আইএমএফের সঙ্গে আরও কয়েকটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আগামী অক্টোবরে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভায় সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। পরবর্তী ধাপে আইএমএফের আরেকটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসবে এবং সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি হতে পারে।

আইএমএফের মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনার বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের নীতিগত পরিকল্পনা এবং সংস্কারের অগ্রাধিকার নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, নতুন ঋণ কর্মসূচির পরিধি, কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কার অঙ্গীকার নিয়ে আগামী কয়েক মাসে দুই পক্ষের মধ্যে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে আইএমএফ।

বিষয় : আইএমএফ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি

কাল মহাকাল

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারেঃ আইএমএফ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে কঠিন সময়ের ইঙ্গিত দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। তবে প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে দেরি হলে আগামী কয়েক বছরে এ হার ৩ শতাংশেরও নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা সফর শেষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমন মূল্যায়ন তুলে ধরে আইএমএফ। ১২ জুলাই শুরু হওয়া সফরে সংস্থাটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনার। সফরের শেষ দিনে তারা অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করে প্রতিনিধিদল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। অথচ চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আইএমএফের পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে সেই লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হবে।

অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন বিনিয়োগ এবং মানুষের আয় বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগের গতি শ্লথ হওয়ার পাশাপাশি বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রকৃত আয় ও ভোগব্যয়ের ওপর, যা শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকেই আরও মন্থর করে দিতে পারে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই অর্থনৈতিক সংস্কার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে কিছু পরিবর্তন হয়েছে এবং বাকি সংস্কারও সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি জানান, সরকারের পূর্বঘোষিত নীতিগত দিকনির্দেশনাকেই ভবিষ্যৎ কর্মসূচির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আইএমএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখনো রাজস্ব আহরণ, আর্থিক খাত এবং মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে, একই সঙ্গে ভর্তুকি ব্যয়ও বেড়েছে। এতে সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে প্রবাসী আয় ইতিবাচক থাকলেও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক খাতও চাপের মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকিও এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

আইএমএফের মতে, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আরও যৌক্তিক করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়ন ব্যয়ে পর্যাপ্ত অর্থায়নের জন্য রাজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে আইএমএফ। পাশাপাশি ফলপ্রসূ রাজস্বনীতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে চালু হওয়া ‘ক্রলিং পেগ’ ভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হলে বিনিময় হার আরও নমনীয় হবে এবং বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা শক্তিশালী হবে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন একটি সুস্পষ্ট, সমন্বিত ও বিশ্বাসযোগ্য কৌশলের আওতায় পরিচালনা করা প্রয়োজন। আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যাংকিং খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সুশৃঙ্খল সমাধান জরুরি।

বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা সফরের পর আইএমএফের সঙ্গে আরও কয়েকটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আগামী অক্টোবরে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভায় সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। পরবর্তী ধাপে আইএমএফের আরেকটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসবে এবং সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি হতে পারে।

আইএমএফের মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনার বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের নীতিগত পরিকল্পনা এবং সংস্কারের অগ্রাধিকার নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, নতুন ঋণ কর্মসূচির পরিধি, কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কার অঙ্গীকার নিয়ে আগামী কয়েক মাসে দুই পক্ষের মধ্যে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে আইএমএফ।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত