সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 ঢাকাঢাকা

চাঁদা না দেওয়ায় অধ্যক্ষকে হয়রানি: সাবেক দারোয়ান গ্রেফতার

মিরপুর বাংলা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হয়রানির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই মামলায় প্রতিষ্ঠানের সাবেক দারোয়ানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 চাঁদা না দেওয়ায় অধ্যক্ষকে হয়রানি: সাবেক দারোয়ান গ্রেফতার
ছবি -সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর বাংলা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল খোশনবীশের কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে লতিফ মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া লতিফ মোল্লা ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই সাবেক দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত সোমবার (১৩ জুলাই) মিরপুরের ৭ নম্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল খোশনবীশ বাদী হয়ে গত রোববার পল্লবী থানায় একটি চাঁদাবাজি ও হয়রানির মামলা দায়ের করেন। মামলায় লতিফ মোল্লা ছাড়াও সাবেক আয়া সাগরিকা বেগম মনি, মিজানুর রহমান মোল্লা ও শাহআলম নামে মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় আসামি প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মী এবং বাকি দুজন এলাকার পরিচিত চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, স্কুলেরই কিছু সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকের প্ররোচনায় অভিযুক্তরা অধ্যক্ষকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সামাজিক সম্মান রক্ষার্থে অধ্যক্ষ শুরুর দিকে বিকাশের মাধ্যমে আসামিদের ৩ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আরও টাকা দাবি করা হলে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান।

অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল জানান, সর্বশেষ গত ২৩ জুন মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের একটি ক্লিনিকের সামনে তাকে একা পেয়ে পুনরায় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে আদালতে মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, আগে চাঁদা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে খারিজ হয়ে যায়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রিয়তোষ চন্দ্র সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বিষয় : মিরপুর বাংলা স্কুল মোস্তফা কামাল খোশনবীশ

কাল মহাকাল

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


চাঁদা না দেওয়ায় অধ্যক্ষকে হয়রানি: সাবেক দারোয়ান গ্রেফতার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুর বাংলা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল খোশনবীশের কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে লতিফ মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া লতিফ মোল্লা ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই সাবেক দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত সোমবার (১৩ জুলাই) মিরপুরের ৭ নম্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল খোশনবীশ বাদী হয়ে গত রোববার পল্লবী থানায় একটি চাঁদাবাজি ও হয়রানির মামলা দায়ের করেন। মামলায় লতিফ মোল্লা ছাড়াও সাবেক আয়া সাগরিকা বেগম মনি, মিজানুর রহমান মোল্লা ও শাহআলম নামে মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় আসামি প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মী এবং বাকি দুজন এলাকার পরিচিত চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, স্কুলেরই কিছু সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকের প্ররোচনায় অভিযুক্তরা অধ্যক্ষকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সামাজিক সম্মান রক্ষার্থে অধ্যক্ষ শুরুর দিকে বিকাশের মাধ্যমে আসামিদের ৩ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আরও টাকা দাবি করা হলে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান।

অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল জানান, সর্বশেষ গত ২৩ জুন মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের একটি ক্লিনিকের সামনে তাকে একা পেয়ে পুনরায় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে আদালতে মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, আগে চাঁদা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে খারিজ হয়ে যায়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রিয়তোষ চন্দ্র সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত