আন্তর্জাতিক
মিয়ানমারের উপকূলে ৫০০ জনের বেশি আরোহী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, ঘটনাটি সংঘাত, নিপীড়ন ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের চলমান মানবিক সংকটের আরেকটি মর্মান্তিক দৃষ্টান্ত।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবির খবরে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুটি নৌকাই জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে। নৌকাগুলোর অধিকাংশ যাত্রী ছিলেন রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রা করেছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের দুই সংস্থার আশঙ্কা, এ ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করেনি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম নৌকাটিতে প্রায় ২৫০ জন আরোহী ছিলেন। মিয়ানমার ত্যাগের কিছু সময় পরই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যদিকে প্রায় ২৮০ জন আরোহী বহনকারী দ্বিতীয় নৌকাটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যৌথ বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম বলেছে, ঘটনার সত্যতা এবং প্রাণহানির সংখ্যা এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে থাকলেও সম্ভাব্য এই বিপুল প্রাণহানি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
নৌকায় থাকা যাত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার তৎপরতা ও তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বিষয় : রোহিঙ্গা ক্যাম্প নৌকাডুবি
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
মিয়ানমারের উপকূলে ৫০০ জনের বেশি আরোহী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, ঘটনাটি সংঘাত, নিপীড়ন ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের চলমান মানবিক সংকটের আরেকটি মর্মান্তিক দৃষ্টান্ত।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবির খবরে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুটি নৌকাই জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে। নৌকাগুলোর অধিকাংশ যাত্রী ছিলেন রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রা করেছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের দুই সংস্থার আশঙ্কা, এ ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করেনি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম নৌকাটিতে প্রায় ২৫০ জন আরোহী ছিলেন। মিয়ানমার ত্যাগের কিছু সময় পরই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যদিকে প্রায় ২৮০ জন আরোহী বহনকারী দ্বিতীয় নৌকাটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যৌথ বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম বলেছে, ঘটনার সত্যতা এবং প্রাণহানির সংখ্যা এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে থাকলেও সম্ভাব্য এই বিপুল প্রাণহানি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
নৌকায় থাকা যাত্রীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার তৎপরতা ও তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
2.png)