স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। এই একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৬৬ জন এবং সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২২১ জন। সব মিলিয়ে গত একদিনে মোট এক হাজার ২৮৭ জন নতুন রোগী পাওয়া গেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২০ জনে। এর মধ্যে ৯১টি মৃত্যু নিশ্চিত হামের কারণে এবং ৫২৯টি মৃত্যু সন্দেহজনক হামের উপসর্গের কারণে হয়েছে। এই সময়ে মোট সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা ছিল ৭৯ হাজার ১২ জন এবং নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৬৮৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজার ২৬৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৬০ হাজার ৬৪ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগেই সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে মোট ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৫ জন এবং সন্দেহজনক হামে ২২০ জন মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাত শিশুর মধ্যে চারজনই ছিল ঢাকা বিভাগের এবং বাকি তিনজন চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৭ জন, সিলেটে ৬৬ জন, বরিশালে ৫৬ জন, চট্টগ্রামে ৫৬ জন, ময়মনসিংহে ৫০ জন, খুলনায় ২৩ জন এবং রংপুর বিভাগে সাতজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং শিশুদের সুরক্ষায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরণের উপসর্গ দেখা দিলেই দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
2.png)
রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। এই একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৬৬ জন এবং সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২২১ জন। সব মিলিয়ে গত একদিনে মোট এক হাজার ২৮৭ জন নতুন রোগী পাওয়া গেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২০ জনে। এর মধ্যে ৯১টি মৃত্যু নিশ্চিত হামের কারণে এবং ৫২৯টি মৃত্যু সন্দেহজনক হামের উপসর্গের কারণে হয়েছে। এই সময়ে মোট সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা ছিল ৭৯ হাজার ১২ জন এবং নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৬৮৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজার ২৬৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৬০ হাজার ৬৪ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগেই সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে মোট ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৫ জন এবং সন্দেহজনক হামে ২২০ জন মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাত শিশুর মধ্যে চারজনই ছিল ঢাকা বিভাগের এবং বাকি তিনজন চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৭ জন, সিলেটে ৬৬ জন, বরিশালে ৫৬ জন, চট্টগ্রামে ৫৬ জন, ময়মনসিংহে ৫০ জন, খুলনায় ২৩ জন এবং রংপুর বিভাগে সাতজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং শিশুদের সুরক্ষায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরণের উপসর্গ দেখা দিলেই দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
2.png)