রাজনীতি
সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে— এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করেছে দলটি। একই সঙ্গে তার বহিষ্কারের বিষয়টি দ্রুত নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুসারে গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক রেওয়াজ অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল যদি কোনো সংসদ সদস্যকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করে এবং তার সংসদ সদস্যপদ বাতিলের জন্য স্পিকারের কাছে আবেদন জানায়, তাহলে এমপি পদ শূন্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। অতীতে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমন নজির রয়েছে।
তবে কোনো দল কেবল সাংগঠনিক পদ বা দলীয় সদস্যপদ বাতিল করলেও স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন না করলে সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকার উদাহরণও রয়েছে। নবম জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও স্পিকারের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদন না যাওয়ায় তার এমপি পদ বহাল ছিল।
সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার রাত থেকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে তাকে এক তরুণীর সঙ্গে একটি কক্ষে দেখা যায়। পরে স্থানীয় জামায়াত নেতারা দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা ওই নারী গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী।
বিষয় : গাজী নজরুল ইসলাম বহিষ্কার
2.png)
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে— এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করেছে দলটি। একই সঙ্গে তার বহিষ্কারের বিষয়টি দ্রুত নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুসারে গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক রেওয়াজ অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল যদি কোনো সংসদ সদস্যকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করে এবং তার সংসদ সদস্যপদ বাতিলের জন্য স্পিকারের কাছে আবেদন জানায়, তাহলে এমপি পদ শূন্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। অতীতে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমন নজির রয়েছে।
তবে কোনো দল কেবল সাংগঠনিক পদ বা দলীয় সদস্যপদ বাতিল করলেও স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন না করলে সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকার উদাহরণও রয়েছে। নবম জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও স্পিকারের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদন না যাওয়ায় তার এমপি পদ বহাল ছিল।
সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার রাত থেকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে তাকে এক তরুণীর সঙ্গে একটি কক্ষে দেখা যায়। পরে স্থানীয় জামায়াত নেতারা দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা ওই নারী গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী।
2.png)