জাতীয়
দেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে বালাইনাশক খাতের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, কমিটি বালাইনাশকের আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার এবং গুণগতমান নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন, বিধিমালা, নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো, গবেষণাগারের কার্যক্রম এবং তদারকি ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করবে। এসব পর্যালোচনার ভিত্তিতে খাতটিকে যুগোপযোগী করতে একটি নীতিগত নির্দেশিকা (পলিসি গাইডলাইন) প্রণয়নের সুপারিশ করবে।
কমিটির প্রথম বৈঠক আগামী পরশু অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কমিটির একজন সদস্য হিসেবে সংশ্লিষ্ট খাতের একজন বিশেষজ্ঞ এতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুযায়ী, আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যমান বালাইনাশক আইন, বিধিমালা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি বালাইনাশক খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও থাকবে কমিটির।
প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কো-অপ্ট করার সুযোগও পাবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বালাইনাশকের নিরাপদ ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে খাদ্যশৃঙ্খলে ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি কমানো, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হবে।
বিষয় : নীতিমালা বালাইনাশক নিরাপদ খাদ্য
2.png)
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
দেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে বালাইনাশক খাতের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, কমিটি বালাইনাশকের আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার এবং গুণগতমান নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন, বিধিমালা, নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো, গবেষণাগারের কার্যক্রম এবং তদারকি ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করবে। এসব পর্যালোচনার ভিত্তিতে খাতটিকে যুগোপযোগী করতে একটি নীতিগত নির্দেশিকা (পলিসি গাইডলাইন) প্রণয়নের সুপারিশ করবে।
কমিটির প্রথম বৈঠক আগামী পরশু অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কমিটির একজন সদস্য হিসেবে সংশ্লিষ্ট খাতের একজন বিশেষজ্ঞ এতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুযায়ী, আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যমান বালাইনাশক আইন, বিধিমালা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি বালাইনাশক খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও থাকবে কমিটির।
প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কো-অপ্ট করার সুযোগও পাবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বালাইনাশকের নিরাপদ ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে খাদ্যশৃঙ্খলে ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি কমানো, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হবে।
2.png)