লোকাল ফোকাস
পাবনার আতাইকুলা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর বসতঘর থেকে আলিফ হোসেন নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ওই গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, নিহত আলিফ হোসেন আতাইকুলা থানার রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রইজ উদ্দিন শেখ রোজের ছেলে। অন্যদিকে, যে ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি একই গ্রামের লিবিয়াপ্রবাসী বাদশার স্ত্রী আসমানী আক্তারের।
স্থানীয়দের দাবি, আলিফ হোসেন ও আসমানী আক্তারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে আলিফ ওই বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা আসমানীর ঘরের ভেতরে আলিফের নিথর দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে আতাইকুলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতের সঙ্গে ওই নারীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। কী কারণে এই মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আসমানী আক্তারকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিষয় : আতাইকুলা
2.png)
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
পাবনার আতাইকুলা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর বসতঘর থেকে আলিফ হোসেন নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ওই গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, নিহত আলিফ হোসেন আতাইকুলা থানার রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রইজ উদ্দিন শেখ রোজের ছেলে। অন্যদিকে, যে ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি একই গ্রামের লিবিয়াপ্রবাসী বাদশার স্ত্রী আসমানী আক্তারের।
স্থানীয়দের দাবি, আলিফ হোসেন ও আসমানী আক্তারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে আলিফ ওই বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা আসমানীর ঘরের ভেতরে আলিফের নিথর দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে আতাইকুলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে নিহতের সঙ্গে ওই নারীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। কী কারণে এই মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আসমানী আক্তারকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
2.png)