লাইফ স্টাইল
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠিত কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল হাইভোল্টেজ ম্যাচটি দেখতে দুদিন আগেই সেখানে উড়ে এসেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ। তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে পর্তুগালে রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়রের ১৬তম জন্মদিনের জমকালো পার্টির আয়োজন করেছিলেন তিনি। মা হিসেবে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করার পরপরই দুই সন্তান রোনালদো জুনিয়র ও ছোট ছেলে মাতেওকে সঙ্গে নিয়ে আজ মায়ামির গ্যালারিতে হাজির হন এই স্প্যানিশ মডেল। উদ্দেশ্য, মাঠের ভেতর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে খুব কাছ থেকে উৎসাহ দেওয়া ও মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখা।
তবে ফুটবল ও ফ্যাশন বিশ্লেষকরা বলছেন, মায়ামির গ্যালারিতে জর্জিনার এই উপস্থিতি যতটা সরল মনে হচ্ছে, বিষয়টি আসলে মোটেও তেমন নয়। এর পেছনে লুকিয়ে ছিল কোটি কোটি টাকার এক সুনিপুণ ব্যবসায়িক প্রচারণা।
ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামে রোনালদোর দুই সন্তান রোনালদো জুনিয়র ও মাতেওর গায়ে স্বভাবতই ‘রোনালদো’ লেখা ৭ নম্বর জার্সি দেখা গেছে। তবে সবার নজর কেড়েছেন জর্জিনা, যিনি বেছে নিয়েছিলেন একটি সাদা-কালো রঙের জার্সি। সেই জার্সিতেও রোনালদোর চেনা প্রতীক ‘সেভেন’ বা ৭ নম্বরটি জ্বলজ্বল করছিল। কিন্তু রহস্যের জন্ম দেয় জার্সির ওপরের অংশটি, যেখানে ‘রোনালদো’ লেখার পরিবর্তে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘মিমোয়া’ (Mimoa)। এই অদ্ভুত নামটি দেখেই গ্যালারি থেকে শুরু করে বিশ্বজুড়ে টিভি পর্দার দর্শকদের মনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘হোলা’ আসল রহস্য ফাঁস করে জানিয়েছে, জর্জিনা মূলত কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই অত্যন্ত চতুর উপায়ে নিজের নতুন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’কে গোটা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। এমনকি ম্যাচ শেষে ইনস্টাগ্রামে গ্যালারির যে ছবিগুলো জর্জিনা পোস্ট করেছেন, সেখানেও সুকৌশলে এই বিশেষ নামটি হাইলাইট করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে একটি নতুন ব্র্যান্ডকে পরিচিত করতে যেখানে বড় বড় কোম্পানি বা নামী মার্কেটিং এজেন্সিগুলো কোটি কোটি টাকা ঢালতে হিমশিম খায়, সেখানে মাত্র ৯০ মিনিটের একটি ফুটবল ম্যাচকে ব্যবহার করেই ‘মিমোয়া’ নামটি এক ধাক্কায় কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে গেল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মিমোয়া’ মূলত জর্জিনা রদ্রিগেজের নিজস্ব নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড। এই ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোশাক জর্জিনার নিজের নকশা করা এবং পুরো ব্যবসাটি তিনি নিজেই পরিচালনা করছেন। মূলত অ্যাথলিজার (খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাধারণ ব্যবহারের উপযোগী ফ্যাশন) ধাঁচের পোশাক বাজারে আনছে এই ব্র্যান্ডটি। মিমোয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারীদের জন্য এমন সব পোশাক ও ফ্যাশন পণ্য তারা তৈরি করবে যা একই সাথে পরতে আরামদায়ক হবে এবং তাঁদের আরও আকর্ষণীয় ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
ইতিমধ্যেই বিশ্বখ্যাত অনেক ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার ও বিশ্লেষক মিমোয়ার এই ভি-নেক এবং খাটো হাতার জার্সি স্টাইলের পোশাকটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে জর্জিনার চমৎকার ফিগারের সাথে পোশাকটি দারুণভাবে মানিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
2.png)
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠিত কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল হাইভোল্টেজ ম্যাচটি দেখতে দুদিন আগেই সেখানে উড়ে এসেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ। তার ঠিক এক সপ্তাহ আগে পর্তুগালে রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়রের ১৬তম জন্মদিনের জমকালো পার্টির আয়োজন করেছিলেন তিনি। মা হিসেবে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করার পরপরই দুই সন্তান রোনালদো জুনিয়র ও ছোট ছেলে মাতেওকে সঙ্গে নিয়ে আজ মায়ামির গ্যালারিতে হাজির হন এই স্প্যানিশ মডেল। উদ্দেশ্য, মাঠের ভেতর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে খুব কাছ থেকে উৎসাহ দেওয়া ও মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখা।
তবে ফুটবল ও ফ্যাশন বিশ্লেষকরা বলছেন, মায়ামির গ্যালারিতে জর্জিনার এই উপস্থিতি যতটা সরল মনে হচ্ছে, বিষয়টি আসলে মোটেও তেমন নয়। এর পেছনে লুকিয়ে ছিল কোটি কোটি টাকার এক সুনিপুণ ব্যবসায়িক প্রচারণা।
ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামে রোনালদোর দুই সন্তান রোনালদো জুনিয়র ও মাতেওর গায়ে স্বভাবতই ‘রোনালদো’ লেখা ৭ নম্বর জার্সি দেখা গেছে। তবে সবার নজর কেড়েছেন জর্জিনা, যিনি বেছে নিয়েছিলেন একটি সাদা-কালো রঙের জার্সি। সেই জার্সিতেও রোনালদোর চেনা প্রতীক ‘সেভেন’ বা ৭ নম্বরটি জ্বলজ্বল করছিল। কিন্তু রহস্যের জন্ম দেয় জার্সির ওপরের অংশটি, যেখানে ‘রোনালদো’ লেখার পরিবর্তে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘মিমোয়া’ (Mimoa)। এই অদ্ভুত নামটি দেখেই গ্যালারি থেকে শুরু করে বিশ্বজুড়ে টিভি পর্দার দর্শকদের মনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘হোলা’ আসল রহস্য ফাঁস করে জানিয়েছে, জর্জিনা মূলত কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই অত্যন্ত চতুর উপায়ে নিজের নতুন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’কে গোটা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। এমনকি ম্যাচ শেষে ইনস্টাগ্রামে গ্যালারির যে ছবিগুলো জর্জিনা পোস্ট করেছেন, সেখানেও সুকৌশলে এই বিশেষ নামটি হাইলাইট করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে একটি নতুন ব্র্যান্ডকে পরিচিত করতে যেখানে বড় বড় কোম্পানি বা নামী মার্কেটিং এজেন্সিগুলো কোটি কোটি টাকা ঢালতে হিমশিম খায়, সেখানে মাত্র ৯০ মিনিটের একটি ফুটবল ম্যাচকে ব্যবহার করেই ‘মিমোয়া’ নামটি এক ধাক্কায় কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে গেল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মিমোয়া’ মূলত জর্জিনা রদ্রিগেজের নিজস্ব নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড। এই ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোশাক জর্জিনার নিজের নকশা করা এবং পুরো ব্যবসাটি তিনি নিজেই পরিচালনা করছেন। মূলত অ্যাথলিজার (খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাধারণ ব্যবহারের উপযোগী ফ্যাশন) ধাঁচের পোশাক বাজারে আনছে এই ব্র্যান্ডটি। মিমোয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারীদের জন্য এমন সব পোশাক ও ফ্যাশন পণ্য তারা তৈরি করবে যা একই সাথে পরতে আরামদায়ক হবে এবং তাঁদের আরও আকর্ষণীয় ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
ইতিমধ্যেই বিশ্বখ্যাত অনেক ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার ও বিশ্লেষক মিমোয়ার এই ভি-নেক এবং খাটো হাতার জার্সি স্টাইলের পোশাকটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে জর্জিনার চমৎকার ফিগারের সাথে পোশাকটি দারুণভাবে মানিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
2.png)