বিনোদন
উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে শেষ হয়েছে ‘মাস্টার্স অব দ্য ইউনিভার্স’-এর প্রদর্শনী। নিকোলাস গ্যালিটজিনের হি-ম্যান এবং জ্যারেড লেটোর স্কেলেটরকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ থাকলেও সেই প্রত্যাশা বক্স অফিসে সাফল্যে রূপ নেয়নি। আট সপ্তাহের প্রদর্শনী শেষে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার।
জুনে মুক্তির পর প্রথম সপ্তাহান্তে ছবিটি আয় করেছিল ২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও পরের সপ্তাহগুলোতে দর্শকসংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। ফলে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম আয় নিয়েই প্রেক্ষাগৃহের যাত্রা শেষ করতে হয়েছে ছবিটিকে।
সমালোচকদের প্রতিক্রিয়াও ছিল মিশ্র। রিভিউ সংকলনকারী ওয়েবসাইট রটেন টমেটোজে ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে ৬৭ শতাংশ এবং দর্শকদের কাছ থেকে ৮৬ শতাংশ অনুমোদন পেয়েছে। অনেক সমালোচক ছবিটির আত্ম-বিদ্রূপাত্মক হাস্যরস, প্রাণবন্ত অভিনয় এবং বিনোদনমূলক উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। তবে ইতিবাচক দর্শক প্রতিক্রিয়াও টিকিট বিক্রি বাড়াতে পারেনি।
বক্স অফিস বিশ্লেষক লুইজ ফার্নান্দোর তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনীর অষ্টম বৃহস্পতিবার উত্তর আমেরিকার মাত্র ৭০টি হলে ছবিটি চলছিল। সেদিন এর আয় ছিল মাত্র ২ হাজার ডলার, যা কার্যত সিনেমাটির প্রেক্ষাগৃহ অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে দেয়।
বিশ্বব্যাপী ‘মাস্টার্স অব দ্য ইউনিভার্স’ এখন পর্যন্ত আয় করেছে ১১ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার। অথচ ছবিটির নির্মাণ ব্যয় ছিল প্রায় ১৭ কোটি ডলার। সে হিসাবে বক্স অফিসে এটি আর্থিকভাবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
তবে প্রেক্ষাগৃহের ফলাফল যতটা হতাশাজনক, স্ট্রিমিংয়ে চিত্রটা ঠিক উল্টো। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও-তে মুক্তির পর অল্প সময়ের মধ্যেই এটি প্ল্যাটফর্মটির বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি দেখা সিনেমায় পরিণত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘মাস্টার্স অব দ্য ইউনিভার্স’ আবারও মনে করিয়ে দিল—বর্তমান সময়ে একটি সিনেমার সাফল্য শুধু বক্স অফিসের আয়ে সীমাবদ্ধ নয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকপ্রিয়তাও এখন একটি চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
2.png)
সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে শেষ হয়েছে ‘মাস্টার্স অব দ্য ইউনিভার্স’-এর প্রদর্শনী। নিকোলাস গ্যালিটজিনের হি-ম্যান এবং জ্যারেড লেটোর স্কেলেটরকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ থাকলেও সেই প্রত্যাশা বক্স অফিসে সাফল্যে রূপ নেয়নি। আট সপ্তাহের প্রদর্শনী শেষে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার।
জুনে মুক্তির পর প্রথম সপ্তাহান্তে ছবিটি আয় করেছিল ২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও পরের সপ্তাহগুলোতে দর্শকসংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। ফলে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম আয় নিয়েই প্রেক্ষাগৃহের যাত্রা শেষ করতে হয়েছে ছবিটিকে।
সমালোচকদের প্রতিক্রিয়াও ছিল মিশ্র। রিভিউ সংকলনকারী ওয়েবসাইট রটেন টমেটোজে ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে ৬৭ শতাংশ এবং দর্শকদের কাছ থেকে ৮৬ শতাংশ অনুমোদন পেয়েছে। অনেক সমালোচক ছবিটির আত্ম-বিদ্রূপাত্মক হাস্যরস, প্রাণবন্ত অভিনয় এবং বিনোদনমূলক উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। তবে ইতিবাচক দর্শক প্রতিক্রিয়াও টিকিট বিক্রি বাড়াতে পারেনি।
বক্স অফিস বিশ্লেষক লুইজ ফার্নান্দোর তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনীর অষ্টম বৃহস্পতিবার উত্তর আমেরিকার মাত্র ৭০টি হলে ছবিটি চলছিল। সেদিন এর আয় ছিল মাত্র ২ হাজার ডলার, যা কার্যত সিনেমাটির প্রেক্ষাগৃহ অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে দেয়।
বিশ্বব্যাপী ‘মাস্টার্স অব দ্য ইউনিভার্স’ এখন পর্যন্ত আয় করেছে ১১ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার। অথচ ছবিটির নির্মাণ ব্যয় ছিল প্রায় ১৭ কোটি ডলার। সে হিসাবে বক্স অফিসে এটি আর্থিকভাবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
তবে প্রেক্ষাগৃহের ফলাফল যতটা হতাশাজনক, স্ট্রিমিংয়ে চিত্রটা ঠিক উল্টো। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও-তে মুক্তির পর অল্প সময়ের মধ্যেই এটি প্ল্যাটফর্মটির বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি দেখা সিনেমায় পরিণত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘মাস্টার্স অব দ্য ইউনিভার্স’ আবারও মনে করিয়ে দিল—বর্তমান সময়ে একটি সিনেমার সাফল্য শুধু বক্স অফিসের আয়ে সীমাবদ্ধ নয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকপ্রিয়তাও এখন একটি চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
2.png)