ইরান যুদ্ধ
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলেই দুই দেশের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা শুরু হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বড় সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরই তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সোমবার বিকেলে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটনের সামরিক প্রস্তুতি সম্পর্কে তেহরান আগে থেকেই অবগত ছিল।
এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, একটি সম্ভাব্য চুক্তির রূপরেখা নিয়ে অগ্রগতি হওয়ায় ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্র দেশ নতুন করে সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি ইরান। অতীতেও ট্রাম্প একাধিকবার আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করলেও, পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত নতুন করে বেড়েছে।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি কবে চূড়ান্ত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। পরিস্থিতি বিবেচনা করেই যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার লক্ষ্য যুদ্ধ নয়; অপ্রয়োজনীয় প্রাণহানি এড়াতেই তিনি আগ্রহী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তাকে সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, হরমুজ প্রণালি ঘিরে একটি সমঝোতা হয়েছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
তবে ট্রাম্পের এসব বক্তব্য সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার জন্য তেহরান কোনো অনুরোধ জানায়নি। ট্রাম্পের বক্তব্যকে তারা ‘আরেকটি মিথ্যা দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
যদিও আলোচনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প, তবে বৈঠকটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে কিংবা এতে দুই পক্ষের কোন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন—এ বিষয়ে তিনি এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি।
2.png)
সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলেই দুই দেশের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা শুরু হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বড় সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরই তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সোমবার বিকেলে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটনের সামরিক প্রস্তুতি সম্পর্কে তেহরান আগে থেকেই অবগত ছিল।
এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, একটি সম্ভাব্য চুক্তির রূপরেখা নিয়ে অগ্রগতি হওয়ায় ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্র দেশ নতুন করে সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি ইরান। অতীতেও ট্রাম্প একাধিকবার আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করলেও, পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত নতুন করে বেড়েছে।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি কবে চূড়ান্ত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। পরিস্থিতি বিবেচনা করেই যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার লক্ষ্য যুদ্ধ নয়; অপ্রয়োজনীয় প্রাণহানি এড়াতেই তিনি আগ্রহী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তাকে সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, হরমুজ প্রণালি ঘিরে একটি সমঝোতা হয়েছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
তবে ট্রাম্পের এসব বক্তব্য সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার জন্য তেহরান কোনো অনুরোধ জানায়নি। ট্রাম্পের বক্তব্যকে তারা ‘আরেকটি মিথ্যা দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
যদিও আলোচনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প, তবে বৈঠকটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে কিংবা এতে দুই পক্ষের কোন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন—এ বিষয়ে তিনি এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি।
2.png)