ইরান যুদ্ধ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এক চাঞ্চল্যকর দাবি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে প্রথমবারের মতো ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে উপসাগরীয় দুই দেশ বাহরাইন ও কুয়েত।
শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, অভিযানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারসহ একাধিক সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। যদি এ তথ্য সত্য প্রমাণিত হয়, তবে এটি হবে তেহরানের বিরুদ্ধে বাহরাইন ও কুয়েতের প্রথম প্রত্যক্ষ সামরিক অভিযান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাতও (ইউএই) সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিরক্ষামূলক আকাশ সহায়তাও দেয় দেশটি। এতে ইরানকে মোকাবিলায় কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে সামরিক সমন্বয় আগের তুলনায় আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
গত কয়েক সপ্তাহে ইরানের পাল্টা হামলার বড় অংশই বাহরাইন ও কুয়েতকে লক্ষ্য করে হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশ দুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থাকায় সেগুলোকে কৌশলগত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে তেহরান।
যদিও বাহরাইন ও কুয়েতের বিমানবাহিনী আকারে তুলনামূলক ছোট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে নির্মিত যুদ্ধবিমানের ওপর নির্ভরশীল, তবু ইরানের হামলার জবাব না দিয়ে তারা নিষ্ক্রিয় থাকতে চায়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নতুন করে তীব্র হয়, যখন ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এর আওতায় কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি আর বহাল নেই। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনা বেড়ে যায়।
ওয়াশিংটনের দাবি, তারা ইরানের ভেতরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে তারা পাল্টা আঘাত হেনেছে।
তবে বাহরাইন ও কুয়েতের কথিত এই অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি দুই দেশ। একইভাবে ইরানও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানায়নি। ফলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এই দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিষয় : ইরানে হামলা কুয়েত ও বাহরাইন
2.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এক চাঞ্চল্যকর দাবি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে প্রথমবারের মতো ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে উপসাগরীয় দুই দেশ বাহরাইন ও কুয়েত।
শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, অভিযানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারসহ একাধিক সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। যদি এ তথ্য সত্য প্রমাণিত হয়, তবে এটি হবে তেহরানের বিরুদ্ধে বাহরাইন ও কুয়েতের প্রথম প্রত্যক্ষ সামরিক অভিযান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাতও (ইউএই) সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিরক্ষামূলক আকাশ সহায়তাও দেয় দেশটি। এতে ইরানকে মোকাবিলায় কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে সামরিক সমন্বয় আগের তুলনায় আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
গত কয়েক সপ্তাহে ইরানের পাল্টা হামলার বড় অংশই বাহরাইন ও কুয়েতকে লক্ষ্য করে হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশ দুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থাকায় সেগুলোকে কৌশলগত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে তেহরান।
যদিও বাহরাইন ও কুয়েতের বিমানবাহিনী আকারে তুলনামূলক ছোট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে নির্মিত যুদ্ধবিমানের ওপর নির্ভরশীল, তবু ইরানের হামলার জবাব না দিয়ে তারা নিষ্ক্রিয় থাকতে চায়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নতুন করে তীব্র হয়, যখন ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এর আওতায় কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি আর বহাল নেই। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনা বেড়ে যায়।
ওয়াশিংটনের দাবি, তারা ইরানের ভেতরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে তারা পাল্টা আঘাত হেনেছে।
তবে বাহরাইন ও কুয়েতের কথিত এই অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি দুই দেশ। একইভাবে ইরানও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানায়নি। ফলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এই দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
2.png)