ইরান যুদ্ধ
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নেভিগেশন ও অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থা বন্ধ রেখে ঝুঁকিপূর্ণ রুটে চলাচলের অভিযোগে ছয়টি জাহাজের গতিরোধ করেছে ইরান।
সোমবার (২৭ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ হরমুজ এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানি কর্তৃপক্ষ থামিয়ে দেয়।
আইআরআইবির দাবি, অভিযানের সময় একটি জাহাজ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। পরে ইরানি বাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাকি জাহাজগুলোকে আবার পারস্য উপসাগরের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ইরানের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, সোমবার ভোরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্ররোচনায় জাহাজগুলো নির্ধারিত নিরাপদ নৌপথ এড়িয়ে বিকল্প ও ঝুঁকিপূর্ণ রুট ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল। এ কারণেই নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ইরানের দাবির স্বাধীন যাচাইও এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে সাম্প্রতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক শিপিং, তেল পরিবহন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বিষয় : হরমুজ প্রণালি অবরোধ
2.png)
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নেভিগেশন ও অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থা বন্ধ রেখে ঝুঁকিপূর্ণ রুটে চলাচলের অভিযোগে ছয়টি জাহাজের গতিরোধ করেছে ইরান।
সোমবার (২৭ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ হরমুজ এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানি কর্তৃপক্ষ থামিয়ে দেয়।
আইআরআইবির দাবি, অভিযানের সময় একটি জাহাজ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। পরে ইরানি বাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাকি জাহাজগুলোকে আবার পারস্য উপসাগরের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ইরানের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, সোমবার ভোরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্ররোচনায় জাহাজগুলো নির্ধারিত নিরাপদ নৌপথ এড়িয়ে বিকল্প ও ঝুঁকিপূর্ণ রুট ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল। এ কারণেই নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ইরানের দাবির স্বাধীন যাচাইও এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে সাম্প্রতিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক শিপিং, তেল পরিবহন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
2.png)