সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

  বানিজ্য বানিজ্য

এক গ্রাহকের ঋণে আসছে সর্বোচ্চ সীমা

ব্যাংক খাতে ঋণের কেন্দ্রীভবন ঠেকাতে নতুন নীতিমালা আনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বড় ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে ব্যাংক ঋণের বদলে বন্ড ও পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এক গ্রাহকের ঋণে আসছে সর্বোচ্চ সীমা
ছবি -সংগৃহীত

দেশের ব্যাংকিং খাতে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ সীমিত করতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থা মিলিয়ে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ কত টাকা ঋণ নিতে পারবেন, তার একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ঋণের অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন কমানো, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে আনা এবং ব্যাংক খাতে সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বড় প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বন্ড মার্কেট ও পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন থেকেও এ ধরনের প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এসেছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত এক দশকে দুর্বল তদারকি, ঋণ জালিয়াতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সুশাসনের অভাবে ব্যাংক খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। একই ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের বোঝা বেড়েছে এবং ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে একটি ব্যাংক তার মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত একজন গ্রাহককে ঋণ দিতে পারে। কিন্তু পুরো ব্যাংকিং খাত থেকে একজন গ্রাহক কত ঋণ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে কোনো কেন্দ্রীয় সীমা নেই। নতুন নীতিমালায় সেই সীমা নির্ধারণ করা হবে, যাতে একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অতিরিক্ত ঋণ কেন্দ্রীভূত না হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ। কারণ ব্যাংকগুলো স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি আমানতের অর্থ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। এতে সম্পদ ও দায়ের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং তারল্য ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য বন্ড মার্কেট ও পুঁজিবাজারকে বিকল্প উৎস হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে, তাহলে ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আরও বেশি ঋণ দিতে পারবে। তবে এজন্য স্বচ্ছ, কার্যকর ও শক্তিশালী বন্ড বাজার এবং পুঁজিবাজার গড়ে তোলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাংক খাতের সংস্কারে বাংলাদেশ ব্যাংক তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনাও প্রণয়ন করেছে। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি এই পরিকল্পনায় খেলাপি ঋণ কমানো, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ঋণ আদায় বৃদ্ধি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার নানা পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় প্রতিটি ব্যাংকের জন্য খেলাপি ঋণ কমানোর বার্ষিক লক্ষ্য নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন হালনাগাদ, বেশি খেলাপি থাকা ব্যাংকে প্রম্পট কারেকটিভ অ্যাকশন (পিসিএ) বাস্তবায়ন, প্রধান নির্বাহীদের নিয়োগে খেলাপি ঋণের বিষয় বিবেচনা এবং শীর্ষ খেলাপি ঋণগুলোর অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (ইডব্লিউএস) চালু, আইএফআরএস-৯ বাস্তবায়ন, জামানতের স্বাধীন মূল্যায়ন, ঋণ আদায়ে কর্মকর্তাদের প্রণোদনা, নিয়মিত ঋণ পরিশোধকারীদের উৎসাহ দেওয়া, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ, লোন টু ইকুইটি কনভার্সন এবং লোন টেকওভার নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় পুরো ব্যাংকিং খাতে একজন গ্রাহকের সর্বোচ্চ ঋণের সীমা নির্ধারণ, ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, অর্থঋণ আদালতের বিচারক প্যানেলে অভিজ্ঞ ব্যাংকার অন্তর্ভুক্তি, খেলাপিদের রিটের মাধ্যমে ঋণ আদায় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ সীমিত করা, বেসরকারি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি) গঠনের আইন এবং এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের নির্দেশনার বিষয়টি রাখা হয়েছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, একজন গ্রাহকের ঋণ গ্রহণে যৌক্তিক সীমা নির্ধারণ সময়ের দাবি। তার মতে, বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান খুব কম নিজস্ব মূলধন নিয়ে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে, যা পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তবে নতুন নীতিমালা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা উচিত, যাতে ব্যবসা ও বিনিয়োগে অস্থিরতা তৈরি না হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বিশ্বজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প ও অবকাঠামো বিনিয়োগে মূলত ক্যাপিটাল মার্কেট ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে ব্যাংক ঋণ মূলত কার্যকরী মূলধনের চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাকেও ধীরে ধীরে সেই কাঠামোর দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিষয় : বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ সীমা

কাল মহাকাল

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


এক গ্রাহকের ঋণে আসছে সর্বোচ্চ সীমা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

দেশের ব্যাংকিং খাতে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ সীমিত করতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থা মিলিয়ে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ কত টাকা ঋণ নিতে পারবেন, তার একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ঋণের অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন কমানো, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে আনা এবং ব্যাংক খাতে সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বড় প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বন্ড মার্কেট ও পুঁজিবাজারকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন থেকেও এ ধরনের প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এসেছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত এক দশকে দুর্বল তদারকি, ঋণ জালিয়াতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সুশাসনের অভাবে ব্যাংক খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। একই ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের বোঝা বেড়েছে এবং ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে একটি ব্যাংক তার মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত একজন গ্রাহককে ঋণ দিতে পারে। কিন্তু পুরো ব্যাংকিং খাত থেকে একজন গ্রাহক কত ঋণ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে কোনো কেন্দ্রীয় সীমা নেই। নতুন নীতিমালায় সেই সীমা নির্ধারণ করা হবে, যাতে একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অতিরিক্ত ঋণ কেন্দ্রীভূত না হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ। কারণ ব্যাংকগুলো স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি আমানতের অর্থ দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। এতে সম্পদ ও দায়ের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং তারল্য ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য বন্ড মার্কেট ও পুঁজিবাজারকে বিকল্প উৎস হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী বলেন, বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে, তাহলে ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আরও বেশি ঋণ দিতে পারবে। তবে এজন্য স্বচ্ছ, কার্যকর ও শক্তিশালী বন্ড বাজার এবং পুঁজিবাজার গড়ে তোলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাংক খাতের সংস্কারে বাংলাদেশ ব্যাংক তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনাও প্রণয়ন করেছে। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি এই পরিকল্পনায় খেলাপি ঋণ কমানো, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ঋণ আদায় বৃদ্ধি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার নানা পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় প্রতিটি ব্যাংকের জন্য খেলাপি ঋণ কমানোর বার্ষিক লক্ষ্য নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন হালনাগাদ, বেশি খেলাপি থাকা ব্যাংকে প্রম্পট কারেকটিভ অ্যাকশন (পিসিএ) বাস্তবায়ন, প্রধান নির্বাহীদের নিয়োগে খেলাপি ঋণের বিষয় বিবেচনা এবং শীর্ষ খেলাপি ঋণগুলোর অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (ইডব্লিউএস) চালু, আইএফআরএস-৯ বাস্তবায়ন, জামানতের স্বাধীন মূল্যায়ন, ঋণ আদায়ে কর্মকর্তাদের প্রণোদনা, নিয়মিত ঋণ পরিশোধকারীদের উৎসাহ দেওয়া, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ, লোন টু ইকুইটি কনভার্সন এবং লোন টেকওভার নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় পুরো ব্যাংকিং খাতে একজন গ্রাহকের সর্বোচ্চ ঋণের সীমা নির্ধারণ, ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, অর্থঋণ আদালতের বিচারক প্যানেলে অভিজ্ঞ ব্যাংকার অন্তর্ভুক্তি, খেলাপিদের রিটের মাধ্যমে ঋণ আদায় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার সুযোগ সীমিত করা, বেসরকারি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি) গঠনের আইন এবং এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের নির্দেশনার বিষয়টি রাখা হয়েছে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, একজন গ্রাহকের ঋণ গ্রহণে যৌক্তিক সীমা নির্ধারণ সময়ের দাবি। তার মতে, বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান খুব কম নিজস্ব মূলধন নিয়ে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে, যা পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তবে নতুন নীতিমালা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা উচিত, যাতে ব্যবসা ও বিনিয়োগে অস্থিরতা তৈরি না হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বিশ্বজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প ও অবকাঠামো বিনিয়োগে মূলত ক্যাপিটাল মার্কেট ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে ব্যাংক ঋণ মূলত কার্যকরী মূলধনের চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাকেও ধীরে ধীরে সেই কাঠামোর দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত