জাতীয়
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। প্রতিবেদন গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনাল আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। একই সঙ্গে অন্য মামলায় আটক থাকা তিন আসামিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক সংসদ সদস্য বদিউর রহমান বদি, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান তুষার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম মিনু, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর রুহুল আমিন (রাজন), স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস মাহমুদ (রাজু) এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশিকুর রহমান (সৈকত)।
বর্তমানে বদিউর রহমান বদি, আনোয়ার লতিফ খান তুষার এবং মাহবুব আলম মিনু অন্য মামলায় আটক রয়েছেন। আদালত তাদের এ মামলায় হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তদন্তে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করেছেন। আটক আসামিদের এ মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আর যারা পলাতক রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর আরও দাবি করেন, একরামুল হক ছিলেন বদিউর রহমান বদির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং এর নেপথ্যে মূল ভূমিকা ছিল বদির। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একরাম নিহত হওয়ার পর তার সম্পত্তিও বিভিন্ন কৌশলে আত্মসাৎ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব ও সংস্থাটির সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে সময় প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতেও একরামুল হক হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল।
বিষয় : বদি একরাম হত্যা চিপ প্রসিকিউটর
2.png)
রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। প্রতিবেদন গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনাল আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। একই সঙ্গে অন্য মামলায় আটক থাকা তিন আসামিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক সংসদ সদস্য বদিউর রহমান বদি, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান তুষার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম মিনু, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর রুহুল আমিন (রাজন), স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস মাহমুদ (রাজু) এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশিকুর রহমান (সৈকত)।
বর্তমানে বদিউর রহমান বদি, আনোয়ার লতিফ খান তুষার এবং মাহবুব আলম মিনু অন্য মামলায় আটক রয়েছেন। আদালত তাদের এ মামলায় হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তদন্তে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করেছেন। আটক আসামিদের এ মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আর যারা পলাতক রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর আরও দাবি করেন, একরামুল হক ছিলেন বদিউর রহমান বদির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং এর নেপথ্যে মূল ভূমিকা ছিল বদির। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একরাম নিহত হওয়ার পর তার সম্পত্তিও বিভিন্ন কৌশলে আত্মসাৎ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব ও সংস্থাটির সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে সময় প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতেও একরামুল হক হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল।
2.png)