জাতীয়
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের নিয়মিত অধিবেশনেই দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মামলা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনে আহত আটজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হলে তা প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের ৩ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। সংবিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করেন।
তার প্রায় তিন বছরের দায়িত্বকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। এ সময় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালন এবং পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ের মধ্যে তিনি তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।
বিষয় : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনমন্ত্রী
2.png)
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের নিয়মিত অধিবেশনেই দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মামলা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনে আহত আটজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হলে তা প্রত্যাহার করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের ৩ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। সংবিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করেন।
তার প্রায় তিন বছরের দায়িত্বকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। এ সময় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালন এবং পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ের মধ্যে তিনি তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।
2.png)