জাতীয়
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যার বড় অংশই কৃষি খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ ঝুঁকি কৃষি খাত থেকে তৈরি হয়, আর প্রায় ১০ শতাংশ আসে প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাত থেকে। তাই কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ—এই তিন খাতকে সমন্বিতভাবে তদারকি করা গেলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা আরও কার্যকর হবে।
বর্তমানে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ একই সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করছেন। এ কারণে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এলে নিরাপদ কীটনাশকের ব্যবহার, কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রাণিজ খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
এদিকে কৃষি খাতে নিরাপদ কীটনাশক আমদানি এবং এর ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয়ে বর্তমান কৃষিমন্ত্রীর অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তবে অনেকের মতে, কেবল প্রশাসনিক স্থানান্তরই যথেষ্ট নয়। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক মানের একটি দক্ষ, স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাও জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে নেতৃত্ব বা নীতিনির্ধারণে পরিবর্তন এলে প্রতিষ্ঠানটি আবারও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কার্যকারিতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি কীটনাশক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তাদের দাবি, বৈঠকের আলোচনা ও সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। যদিও এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে, তবে সেগুলোও দ্রুত বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বর্তমান কৃষিমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসাও করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
2.png)
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যার বড় অংশই কৃষি খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ ঝুঁকি কৃষি খাত থেকে তৈরি হয়, আর প্রায় ১০ শতাংশ আসে প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাত থেকে। তাই কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ—এই তিন খাতকে সমন্বিতভাবে তদারকি করা গেলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা আরও কার্যকর হবে।
বর্তমানে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ একই সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করছেন। এ কারণে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এলে নিরাপদ কীটনাশকের ব্যবহার, কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রাণিজ খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
এদিকে কৃষি খাতে নিরাপদ কীটনাশক আমদানি এবং এর ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয়ে বর্তমান কৃষিমন্ত্রীর অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তবে অনেকের মতে, কেবল প্রশাসনিক স্থানান্তরই যথেষ্ট নয়। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে আন্তর্জাতিক মানের একটি দক্ষ, স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাও জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে নেতৃত্ব বা নীতিনির্ধারণে পরিবর্তন এলে প্রতিষ্ঠানটি আবারও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কার্যকারিতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি কীটনাশক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তাদের দাবি, বৈঠকের আলোচনা ও সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। যদিও এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে, তবে সেগুলোও দ্রুত বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বর্তমান কৃষিমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসাও করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
2.png)