জাতীয়
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়নি।
এদিকে চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ড থেকে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই শুক্রবার দুপুরে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তার আগাম প্রত্যাবর্তনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনা আরও গতি পেয়েছে। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সেই পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হয়।
ঢাকায় পৌঁছে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, গত এক সপ্তাহ তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে যেসব আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে তার কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা যেভাবে বিষয়টি শুনেছেন, তিনিও একইভাবে শুনেছেন। এ বিষয়ে তার কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, দেশে ফিরে এখন পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তা এর আগে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তিনি তাতে স্বাক্ষর করেননি। স্পিকার দেশের বাইরে থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।
বঙ্গভবনের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক দিন আগে রাষ্ট্রপতি তাকে বলেছেন, ‘ওরা আমাকে চলে যেতে বলেছেন। হয়তো আমার চলে যেতে হবে। তোমরা চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছেড়ে যার যার মতো করে চলে যাও।’ তবে ‘ওরা’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করেননি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার সাংবিধানিক মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তিনজন পৃথক সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করানোর বিরল নজিরও গড়েছেন।
বিষয় : রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ
2.png)
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়নি।
এদিকে চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ড থেকে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই শুক্রবার দুপুরে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তার আগাম প্রত্যাবর্তনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনা আরও গতি পেয়েছে। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সেই পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হয়।
ঢাকায় পৌঁছে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, গত এক সপ্তাহ তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে যেসব আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে তার কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা যেভাবে বিষয়টি শুনেছেন, তিনিও একইভাবে শুনেছেন। এ বিষয়ে তার কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, দেশে ফিরে এখন পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তা এর আগে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তিনি তাতে স্বাক্ষর করেননি। স্পিকার দেশের বাইরে থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।
বঙ্গভবনের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক দিন আগে রাষ্ট্রপতি তাকে বলেছেন, ‘ওরা আমাকে চলে যেতে বলেছেন। হয়তো আমার চলে যেতে হবে। তোমরা চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছেড়ে যার যার মতো করে চলে যাও।’ তবে ‘ওরা’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করেননি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার সাংবিধানিক মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তিনজন পৃথক সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করানোর বিরল নজিরও গড়েছেন।
2.png)