জাতীয়
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে দেশে ফিরে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সে বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।
শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্পিকার। এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম তাঁকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্পিকার বলেন, তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত নন। তাঁর ভাষায়, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দেবেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “রাষ্ট্রপতি কী করবেন বা করবেন না, সেটি আমি জানি না। তিনি দেশের প্রথম ব্যক্তি।”
নিজের সফর নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করে দেশে ফেরার কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার বলেন, ব্যাংককে তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকায় কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় তিনি আগেই ফিরে এসেছেন।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়।
গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ব্যাংককে যান স্পিকার। নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই তাঁর দেশে ফেরা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হয় এবং নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বও স্পিকার পালন করেন।
এরই মধ্যে কয়েক দিন ধরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও কূটনৈতিক সূত্রে নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, তিনি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও তিনটি সূত্রের বরাতে শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনার খবর প্রকাশ করেছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
2.png)
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে দেশে ফিরে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সে বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।
শুক্রবার দুপুরে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্পিকার। এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম তাঁকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্পিকার বলেন, তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত নন। তাঁর ভাষায়, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দেবেন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “রাষ্ট্রপতি কী করবেন বা করবেন না, সেটি আমি জানি না। তিনি দেশের প্রথম ব্যক্তি।”
নিজের সফর নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করে দেশে ফেরার কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার বলেন, ব্যাংককে তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকায় কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় তিনি আগেই ফিরে এসেছেন।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়।
গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ব্যাংককে যান স্পিকার। নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই তাঁর দেশে ফেরা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হয় এবং নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বও স্পিকার পালন করেন।
এরই মধ্যে কয়েক দিন ধরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও কূটনৈতিক সূত্রে নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, তিনি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও তিনটি সূত্রের বরাতে শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনার খবর প্রকাশ করেছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
2.png)