বিনোদন
বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার জিমি ডোনাল্ডসন, যিনি ‘মিস্টার বিস্ট’ নামে পরিচিত, অবশেষে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা থিয়া বুয়সেনকে বিয়ে করার খবর নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তিনি। তবে নিজের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিয়েকে কনটেন্টে পরিণত না করার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, সেটিই শেষ পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ রেখেছেন এই কনটেন্ট নির্মাতা।
বিয়ের কয়েকটি ছবি শেয়ার করে ২৮ বছর বয়সী এই ইউটিউব তারকা লিখেছেন, ‘আমি আমার মিসেস বিস্টকে পেয়ে গেছি। আর এটাই আমার জীবনের সেরা দিন।’ সংক্ষিপ্ত এই বার্তাই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ইউটিউবে ৫০ কোটিরও বেশি এবং ইনস্টাগ্রামে প্রায় ৯ কোটি অনুসারী থাকা মিস্টার বিস্টের বিয়ের আয়োজন ছিল চমকপ্রদভাবে সীমিত। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন মাত্র ৭০ জন। বিয়ের পর থিয়া বুয়সেন নিজের নাম পরিবর্তন করে থিয়া ডোনাল্ডসন রেখেছেন।
ক্যারিবীয় সাগরের নেকার আইল্যান্ডে বসেছিল এই ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের আসর। ব্রিটিশ উদ্যোক্তা রিচার্ড ব্র্যানসনের মালিকানাধীন দ্বীপটিতে এক সপ্তাহ ধরে চলে উদযাপন। অতিথিদের জন্য ছিল স্নরকেলিং, কাইটসার্ফিংসহ নানা অবকাশযাপনের আয়োজন। পুরো অনুষ্ঠানই রাখা হয় সংবাদমাধ্যম ও জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে।
মিস্টার বিস্টের স্ত্রী থিয়া বুয়সেনও নিজস্ব পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত। দক্ষিণ আফ্রিকার এই তরুণী একজন লেখক, গেমার, ই-স্পোর্টস ধারাভাষ্যকার এবং কনটেন্ট নির্মাতা। আইন, মনোবিজ্ঞান ও নিউরোসাইকোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে ইতোমধ্যেই নিজস্ব একটি পরিচিতি গড়ে তুলেছেন থিয়া।
2.png)
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার জিমি ডোনাল্ডসন, যিনি ‘মিস্টার বিস্ট’ নামে পরিচিত, অবশেষে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা থিয়া বুয়সেনকে বিয়ে করার খবর নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তিনি। তবে নিজের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিয়েকে কনটেন্টে পরিণত না করার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, সেটিই শেষ পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ রেখেছেন এই কনটেন্ট নির্মাতা।
বিয়ের কয়েকটি ছবি শেয়ার করে ২৮ বছর বয়সী এই ইউটিউব তারকা লিখেছেন, ‘আমি আমার মিসেস বিস্টকে পেয়ে গেছি। আর এটাই আমার জীবনের সেরা দিন।’ সংক্ষিপ্ত এই বার্তাই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ইউটিউবে ৫০ কোটিরও বেশি এবং ইনস্টাগ্রামে প্রায় ৯ কোটি অনুসারী থাকা মিস্টার বিস্টের বিয়ের আয়োজন ছিল চমকপ্রদভাবে সীমিত। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন মাত্র ৭০ জন। বিয়ের পর থিয়া বুয়সেন নিজের নাম পরিবর্তন করে থিয়া ডোনাল্ডসন রেখেছেন।
ক্যারিবীয় সাগরের নেকার আইল্যান্ডে বসেছিল এই ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের আসর। ব্রিটিশ উদ্যোক্তা রিচার্ড ব্র্যানসনের মালিকানাধীন দ্বীপটিতে এক সপ্তাহ ধরে চলে উদযাপন। অতিথিদের জন্য ছিল স্নরকেলিং, কাইটসার্ফিংসহ নানা অবকাশযাপনের আয়োজন। পুরো অনুষ্ঠানই রাখা হয় সংবাদমাধ্যম ও জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে।
মিস্টার বিস্টের স্ত্রী থিয়া বুয়সেনও নিজস্ব পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত। দক্ষিণ আফ্রিকার এই তরুণী একজন লেখক, গেমার, ই-স্পোর্টস ধারাভাষ্যকার এবং কনটেন্ট নির্মাতা। আইন, মনোবিজ্ঞান ও নিউরোসাইকোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে ইতোমধ্যেই নিজস্ব একটি পরিচিতি গড়ে তুলেছেন থিয়া।
2.png)