সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে নতি স্বীকার, নতুন আইন আনছে মোদি সরকার

আন্দোলনকারীদের তিন দাবির মধ্যে দুটি মেনে নিতে রাজি হয়েছে কেন্দ্র। প্রশ্নফাঁস চক্র দমনে কঠোর আইন, বিশেষ আদালত গঠন এবং রাজধানীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে নতি স্বীকার, নতুন আইন আনছে মোদি সরকার
ছবি -সংগৃহীত

ভারতে চলমান প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনের মুখে কেন্দ্র সরকার আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবির মধ্যে দুটি বাস্তবায়নে সম্মতি দিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিয়ে সরকার এ বিষয়ে আরও কিছু সময় চেয়েছে। ফলে আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। একই সঙ্গে মদের দোকানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশের সব সদস্যের নিয়মিত ছুটি বাতিল করে সবাইকে দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় আন্দোলন ঘিরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক তার টানা ২৬ দিনের অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। আন্দোলনের এই মোড় পরিবর্তনকে সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রশ্নফাঁসের মতো সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে, যেখানে সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংগঠিত অপরাধ চক্র ভেঙে দিতেই এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণাও দিয়েছেন। সরকারের আশা, দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিষয় : ভারত সিজেপি প্রশ্নফাঁস আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টি

কাল মহাকাল

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬


প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে নতি স্বীকার, নতুন আইন আনছে মোদি সরকার

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতে চলমান প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনের মুখে কেন্দ্র সরকার আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রধান দাবির মধ্যে দুটি বাস্তবায়নে সম্মতি দিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিয়ে সরকার এ বিষয়ে আরও কিছু সময় চেয়েছে। ফলে আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। একই সঙ্গে মদের দোকানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশের সব সদস্যের নিয়মিত ছুটি বাতিল করে সবাইকে দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় আন্দোলন ঘিরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক তার টানা ২৬ দিনের অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। আন্দোলনের এই মোড় পরিবর্তনকে সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রশ্নফাঁসের মতো সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে, যেখানে সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংগঠিত অপরাধ চক্র ভেঙে দিতেই এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণাও দিয়েছেন। সরকারের আশা, দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত