বাংলাদেশ
সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে সরকারের ১৫ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সরকারি গাড়ির বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই তালিকায় রয়েছেন পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী, আটজন উপদেষ্টা এবং দুজন বিশেষ সহকারী। তাঁরা এখন থেকে নিজেদের গাড়িতে চলাচল করবেন। সরকারি গাড়ির পাশাপাশি চালক ও জ্বালানির বাড়তি সুবিধাও নেবেন না।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি প্রোটোকলের গাড়ি ব্যবহার না করে ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাচল করছেন। তাঁর গাড়ির চালক ও জ্বালানির খরচও তিনি নিজেই বহন করছেন। সরকারি সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগ থেকেই অন্যদের উৎসাহিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি নিজের গাড়িতেই চলাচল করছেন। পাশাপাশি তাঁর প্রাপ্ত বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
সরকারি পরিবহন পুলের হিসাবে, একটি গাড়ির চালক, জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়সহ বছরে প্রায় ১৯ লাখ টাকা খরচ হয়। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমলে এই খাতে সরকারের ব্যয়ও কমবে। ১৫ জন কর্মকর্তা সরকারি গাড়ি না ব্যবহার করায় বছরে সম্ভাব্য সাশ্রয়ের পরিমাণও কম নয়।
সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আগে তাঁর নিরাপত্তা বহরে ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ি থাকলেও তা কমিয়ে চারটিতে আনা হয়েছে।
ভিআইপি চলাচলের কারণে সাধারণ মানুষের যানজট ও দুর্ভোগ কমাতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় সড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে না রেখে স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণে উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত উদাহরণ প্রশাসনের অন্য স্তরেও প্রভাব ফেলবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে সংযম তৈরি হলে পরিবহন ও প্রোটোকল ব্যয়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদের ব্যবহারে আরও শৃঙ্খলা আসতে পারে।
বিষয় : বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী ব্যয় সংকোচন
2.png)
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে সরকারের ১৫ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সরকারি গাড়ির বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই তালিকায় রয়েছেন পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী, আটজন উপদেষ্টা এবং দুজন বিশেষ সহকারী। তাঁরা এখন থেকে নিজেদের গাড়িতে চলাচল করবেন। সরকারি গাড়ির পাশাপাশি চালক ও জ্বালানির বাড়তি সুবিধাও নেবেন না।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি প্রোটোকলের গাড়ি ব্যবহার না করে ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাচল করছেন। তাঁর গাড়ির চালক ও জ্বালানির খরচও তিনি নিজেই বহন করছেন। সরকারি সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগ থেকেই অন্যদের উৎসাহিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি নিজের গাড়িতেই চলাচল করছেন। পাশাপাশি তাঁর প্রাপ্ত বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
সরকারি পরিবহন পুলের হিসাবে, একটি গাড়ির চালক, জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়সহ বছরে প্রায় ১৯ লাখ টাকা খরচ হয়। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমলে এই খাতে সরকারের ব্যয়ও কমবে। ১৫ জন কর্মকর্তা সরকারি গাড়ি না ব্যবহার করায় বছরে সম্ভাব্য সাশ্রয়ের পরিমাণও কম নয়।
সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আগে তাঁর নিরাপত্তা বহরে ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ি থাকলেও তা কমিয়ে চারটিতে আনা হয়েছে।
ভিআইপি চলাচলের কারণে সাধারণ মানুষের যানজট ও দুর্ভোগ কমাতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় সড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে না রেখে স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণে উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত উদাহরণ প্রশাসনের অন্য স্তরেও প্রভাব ফেলবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে সংযম তৈরি হলে পরিবহন ও প্রোটোকল ব্যয়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদের ব্যবহারে আরও শৃঙ্খলা আসতে পারে।
2.png)