ঢাকা
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৫৪ জনের মধ্যে ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অন্য দুজন—ঈশান ও হাসিবকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার এসআই মো. হাফিজুর রহমান ৫২ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত এখনো চলছে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হতে পারে।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আসামিরা জামিনে মুক্ত হলে আত্মগোপনে যেতে পারেন। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
আজ শুনানির জন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়নি। তাঁদের পক্ষ থেকেও জামিনের আবেদন করা হয়নি।
এর আগে ভাটারা থানার এসআই আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘এম’ ব্লকের ২৮ নম্বর সড়কের একটি বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, ওই বাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জড়ো হয়েছিলেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা। তাঁদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগ এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, সেখানে তাঁরা নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।
অভিযানের সময় দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আলট্রা মুঠোফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ব্যানারগুলোতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা লেখা ছিল। পুলিশের ভাষ্য, এসব ব্যানারে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ছবিও ছিল।
মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযানের সময় আসামিরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক তৈরির পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। এ ঘটনায় নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা, ষড়যন্ত্র এবং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
2.png)
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৫৪ জনের মধ্যে ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অন্য দুজন—ঈশান ও হাসিবকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার এসআই মো. হাফিজুর রহমান ৫২ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত এখনো চলছে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হতে পারে।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আসামিরা জামিনে মুক্ত হলে আত্মগোপনে যেতে পারেন। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
আজ শুনানির জন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়নি। তাঁদের পক্ষ থেকেও জামিনের আবেদন করা হয়নি।
এর আগে ভাটারা থানার এসআই আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘এম’ ব্লকের ২৮ নম্বর সড়কের একটি বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, ওই বাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জড়ো হয়েছিলেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা। তাঁদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগ এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, সেখানে তাঁরা নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।
অভিযানের সময় দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আলট্রা মুঠোফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ব্যানারগুলোতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা লেখা ছিল। পুলিশের ভাষ্য, এসব ব্যানারে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ছবিও ছিল।
মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযানের সময় আসামিরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক তৈরির পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। এ ঘটনায় নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা, ষড়যন্ত্র এবং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
2.png)