অর্থনীতি
নতুন ক্রেডিট কার্ড ইস্যু এবং এর সুবিধা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বড় ধরনের স্বাধীনতা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের প্যাকেজ বা নতুন কোনো সুবিধা বাজারে ছাড়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের আর প্রয়োজন পড়বে না। এই ক্ষমতা এখন থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদের হাতে ন্যস্ত থাকবে।
এতদিন নতুন কোনো ক্রেডিট কার্ড বাজারে আনার আগে এর শর্তাবলি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমোদন নিতে হতো। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এই প্রক্রিয়াটি সহজ করার উদ্যোগ নিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে সরকার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাংকারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ রয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান নীতিমালা এবং ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার জন্য যে নিয়ন্ত্রণমূলক নির্দেশনা রয়েছে, তা ব্যাংকগুলোকে যথাযথভাবেই মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বোর্ডের হাতে থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার প্রশ্নে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার সংসদে অর্থমন্ত্রী যখন এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তখন তিনি ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেটের রূপরেখা তুলে ধরেন। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এই বাজেটের আকার প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি। বিশাল এই বাজেটে সরকারের মোট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে গতিশীলতা আনতেই ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর এই জটিল প্রক্রিয়াটি সহজ করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকগুলো দ্রুত গ্রাহকবান্ধব সেবা নিয়ে বাজারের চাহিদা মেটাতে পারে।
2.png)
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
নতুন ক্রেডিট কার্ড ইস্যু এবং এর সুবিধা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বড় ধরনের স্বাধীনতা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানিয়েছেন, এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের প্যাকেজ বা নতুন কোনো সুবিধা বাজারে ছাড়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের আর প্রয়োজন পড়বে না। এই ক্ষমতা এখন থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদের হাতে ন্যস্ত থাকবে।
এতদিন নতুন কোনো ক্রেডিট কার্ড বাজারে আনার আগে এর শর্তাবলি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমোদন নিতে হতো। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এই প্রক্রিয়াটি সহজ করার উদ্যোগ নিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে সরকার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাংকারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ রয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান নীতিমালা এবং ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার জন্য যে নিয়ন্ত্রণমূলক নির্দেশনা রয়েছে, তা ব্যাংকগুলোকে যথাযথভাবেই মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বোর্ডের হাতে থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার প্রশ্নে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার সংসদে অর্থমন্ত্রী যখন এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তখন তিনি ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেটের রূপরেখা তুলে ধরেন। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এই বাজেটের আকার প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি। বিশাল এই বাজেটে সরকারের মোট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে গতিশীলতা আনতেই ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর এই জটিল প্রক্রিয়াটি সহজ করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকগুলো দ্রুত গ্রাহকবান্ধব সেবা নিয়ে বাজারের চাহিদা মেটাতে পারে।
2.png)