স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। গত ২৭ মে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ২৭ মে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং ঘটনার কারণ উদঘাটনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার অভিযোগ ওঠে।
তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হাসপাতালটির মালিক শেখ মহিউদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হবে না। এই জবাব দেওয়ার জন্য তাকে ৭২ ঘণ্টা বা ৭ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা প্রদান করে, তা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে অগ্রহণযোগ্য ও অসন্তোষজনক বলে মনে হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, নবজাতকদের মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও গুরুতর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীলতার অভাব এবং তদন্ত সাপেক্ষে তাদের দেওয়া ব্যাখ্যার অসংলগ্নতা বিবেচনায় নিয়ে লাইসেন্স বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোগীর জীবন রক্ষা এবং চিকিৎসা সেবার মান নিশ্চিত করতে সরকার যে কোনো গাফিলতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে রয়েছে, এই পদক্ষেপ তারই প্রতিফলন।
বিষয় : আদ-দ্বীন লাইসেন্স বাতিল
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। গত ২৭ মে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ২৭ মে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং ঘটনার কারণ উদঘাটনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার অভিযোগ ওঠে।
তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হাসপাতালটির মালিক শেখ মহিউদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হবে না। এই জবাব দেওয়ার জন্য তাকে ৭২ ঘণ্টা বা ৭ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা প্রদান করে, তা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে অগ্রহণযোগ্য ও অসন্তোষজনক বলে মনে হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, নবজাতকদের মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও গুরুতর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীলতার অভাব এবং তদন্ত সাপেক্ষে তাদের দেওয়া ব্যাখ্যার অসংলগ্নতা বিবেচনায় নিয়ে লাইসেন্স বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোগীর জীবন রক্ষা এবং চিকিৎসা সেবার মান নিশ্চিত করতে সরকার যে কোনো গাফিলতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে রয়েছে, এই পদক্ষেপ তারই প্রতিফলন।
2.png)