রাজধানীর এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সেকান্দর হোসেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি তফসিলি ব্যাংকে কিছু সঞ্চয় করেছিলেন। পরিকল্পনা ছিল, অবসরে সেই টাকায় নতুন কিছু শুরু করবেন। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর পর সেই সঞ্চয়ই হয়ে ওঠে তার পরিবারের জন্য বড় সংকট।
দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তার স্ত্রী। স্বামীর রেখে যাওয়া ব্যাংকের টাকা তুলতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন—নমিনি না থাকায় সরাসরি টাকা উত্তোলন সম্ভব নয়। প্রয়োজন উত্তরাধিকার সনদ।
ব্যাংক হিসাবধারী যদি জীবিত অবস্থায় কোনো নমিনি নির্ধারণ না করে যান, তাহলে তার মৃত্যুর পর জমাকৃত অর্থ তুলতে আইনি জটিলতা তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে আদালতের মাধ্যমে প্রাপ্ত উত্তরাধিকার সনদ চায়। এই সনদই প্রমাণ করে কে বা কারা মৃত ব্যক্তির সম্পদের প্রকৃত দাবিদার।
উত্তরাধিকার সনদ পেতে হলে আবেদন করতে হয় জেলা জজ আদালতে।
ঢাকার ক্ষেত্রে, এ সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির জন্য তৃতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালত নির্ধারিত। মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা নিজে বা তাদের পক্ষে কোনো প্রতিনিধি আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
উত্তরাধিকার সনদের জন্য আবেদন করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জমা দিতে হয়। যেমন—
এই নথিগুলো জমা দেওয়ার পর আদালত আবেদন যাচাই করে সিদ্ধান্ত দেয়।
আদালত আবেদন মঞ্জুর করার পর নির্ধারিত কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। এই ফি নির্ভর করে দাবিকৃত অর্থের পরিমাণের ওপর—
সঠিক নিয়মে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে উত্তরাধিকার সনদ পাওয়া কঠিন নয়। এই সনদের ভিত্তিতেই ব্যাংকে জমা থাকা অর্থ সহজে উত্তোলন করা সম্ভব হয়।
আইনজীবীদের মতে, ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলার সময় নমিনি নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রিয়জনদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমে যায়।
বিষয় : উত্তরাধিকার সনদ ওয়ারিসান সনদ ওয়ারিশনাম

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সেকান্দর হোসেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি তফসিলি ব্যাংকে কিছু সঞ্চয় করেছিলেন। পরিকল্পনা ছিল, অবসরে সেই টাকায় নতুন কিছু শুরু করবেন। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর পর সেই সঞ্চয়ই হয়ে ওঠে তার পরিবারের জন্য বড় সংকট।
দুই সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তার স্ত্রী। স্বামীর রেখে যাওয়া ব্যাংকের টাকা তুলতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন—নমিনি না থাকায় সরাসরি টাকা উত্তোলন সম্ভব নয়। প্রয়োজন উত্তরাধিকার সনদ।
ব্যাংক হিসাবধারী যদি জীবিত অবস্থায় কোনো নমিনি নির্ধারণ না করে যান, তাহলে তার মৃত্যুর পর জমাকৃত অর্থ তুলতে আইনি জটিলতা তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে আদালতের মাধ্যমে প্রাপ্ত উত্তরাধিকার সনদ চায়। এই সনদই প্রমাণ করে কে বা কারা মৃত ব্যক্তির সম্পদের প্রকৃত দাবিদার।
উত্তরাধিকার সনদ পেতে হলে আবেদন করতে হয় জেলা জজ আদালতে।
ঢাকার ক্ষেত্রে, এ সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির জন্য তৃতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালত নির্ধারিত। মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা নিজে বা তাদের পক্ষে কোনো প্রতিনিধি আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
উত্তরাধিকার সনদের জন্য আবেদন করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জমা দিতে হয়। যেমন—
এই নথিগুলো জমা দেওয়ার পর আদালত আবেদন যাচাই করে সিদ্ধান্ত দেয়।
আদালত আবেদন মঞ্জুর করার পর নির্ধারিত কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। এই ফি নির্ভর করে দাবিকৃত অর্থের পরিমাণের ওপর—
সঠিক নিয়মে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে উত্তরাধিকার সনদ পাওয়া কঠিন নয়। এই সনদের ভিত্তিতেই ব্যাংকে জমা থাকা অর্থ সহজে উত্তোলন করা সম্ভব হয়।
আইনজীবীদের মতে, ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলার সময় নমিনি নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রিয়জনদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমে যায়।
