জাতীয়
দীর্ঘদিন ধরে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অন্যতম দাবি হিসেবে বিবেচিত ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা আবারও আদালতমুখী হলো। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। মূলত, সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবীর দায়ের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এক যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সাংঘর্ষিক আখ্যা দিয়ে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কঠোর নির্দেশনাও ছিল সেই রায়ে।
হাইকোর্টের ওই রায়ের ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকার ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই অধ্যাদেশটি বাতিল করে দেয় এবং গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়কে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আবারও আইন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষ এখন হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করায় বিষয়টি এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পর্যালোচনার অপেক্ষায়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিধি কতটুকু হবে এবং সচিবালয় থাকবে কি না—তা নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অন্যতম দাবি হিসেবে বিবেচিত ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা আবারও আদালতমুখী হলো। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। মূলত, সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবীর দায়ের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এক যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সাংঘর্ষিক আখ্যা দিয়ে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কঠোর নির্দেশনাও ছিল সেই রায়ে।
হাইকোর্টের ওই রায়ের ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকার ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই অধ্যাদেশটি বাতিল করে দেয় এবং গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়কে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আবারও আইন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষ এখন হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করায় বিষয়টি এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পর্যালোচনার অপেক্ষায়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিধি কতটুকু হবে এবং সচিবালয় থাকবে কি না—তা নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
2.png)