জাতীয়
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের সাক্ষী হলো ভারত-বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো কোনো পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিককে ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার সকালে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।
ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হলেন। দিল্লির এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তার গভীর জানাশোনাকে কাজে লাগিয়েই ভারত সরকার তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই তিনি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। বর্ডার ক্রস করার সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তাকে স্বাগত জানান। দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে তিনি কতটা আগ্রহী, তা তার প্রথম দিনের কথাবার্তাতেই স্পষ্ট। এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন এক মেরুকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।
বিষয় : দীনেশ ত্রিবেদী ভারতীয় হাই কমিশনার
2.png)
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন পরিবর্তনের সাক্ষী হলো ভারত-বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো কোনো পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিককে ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর সেই নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার সকালে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।
ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হলেন। দিল্লির এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তার গভীর জানাশোনাকে কাজে লাগিয়েই ভারত সরকার তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
হাই কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই তিনি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। বর্ডার ক্রস করার সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তাকে স্বাগত জানান। দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে তিনি কতটা আগ্রহী, তা তার প্রথম দিনের কথাবার্তাতেই স্পষ্ট। এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন এক মেরুকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।
2.png)