খেলা
‘ওয়েলকাম টু মেক্সিকো’—এই সহজ ২ শব্দের গভীর আহ্বানেই শুরু হলো ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব। মেক্সিকোর ঐতিহাসিক এস্তাদিও বানোর্তে স্টেডিয়ামে আয়োজনটি ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে প্রতিটি মুহূর্ত ছিল প্রাণবন্ত। কোনো বাড়তি জাঁকজমক নয়, বরং মেক্সিকান ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির এক দারুণ মিশেলে বিশ্বকে ফুটবলীয় ঐক্যের মন্ত্র শোনালো এবারের আসর।
অনুষ্ঠানের মূল সুর ছিল মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন। সঞ্চালকের কথায় ফুটে উঠল মেক্সিকোর আতিথেয়তা, “আমরা কেবল একটি দেশ নই, আমরা বৈচিত্র্যের এক মেলবন্ধন। ফুটবল আমাদের একসূত্রে গাঁথে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেয় ভালোবাসার বার্তা।”
স্টেডিয়ামের মাঝখানে ঘুরতে থাকা বিশ্বকাপ ট্রফির বিশাল প্রতিকৃতি আর নৃত্যশিল্পীদের ছন্দময় পারফরম্যান্স যেন পুরো মাঠকে রূপ দিয়েছিল এক রঙিন ক্যানভাসে।
সংগীতের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধতা বাড়াতে মঞ্চে আসেন ভেনেজুয়েলার তারকা ড্যানি ওশান। তাকে অনেকেই ‘ভেনেজুয়েলার জাস্টিন বিবার’ বলে চেনেন। তবে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে ওঠে যখন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী বার্না বয় একসঙ্গে কণ্ঠ মেলান। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘দাই দাই’-এর সুরের মূর্ছনায় স্টেডিয়ামের হাজারো দর্শক যেন মুহূর্তেই একাত্ম হয়ে যায়। তাদের পাশাপাশি জে বালভিন, টাইলা, আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ কিংবা বেলিন্দাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে পূর্ণতা দেয়।
ইতালিয়ান নির্মাতা মার্কো বালিচের পরিকল্পনায় প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল মেক্সিকোর নিজস্ব শিল্পকলা ‘পাপেল পিকাদো’-এর ছাপ। সংস্কৃতির নান্দনিক এই উপস্থাপনা দর্শকদের মনে গেঁথে থাকবে অনেকদিন।
বর্ণিল এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়ে যায় মাঠের আসল লড়াই। মেক্সিকো আর দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠল ২০২৬ বিশ্বকাপের। প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ফুটবল বিশ্ব এখন এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে।
বিষয় : ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
2.png)
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
‘ওয়েলকাম টু মেক্সিকো’—এই সহজ ২ শব্দের গভীর আহ্বানেই শুরু হলো ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব। মেক্সিকোর ঐতিহাসিক এস্তাদিও বানোর্তে স্টেডিয়ামে আয়োজনটি ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে প্রতিটি মুহূর্ত ছিল প্রাণবন্ত। কোনো বাড়তি জাঁকজমক নয়, বরং মেক্সিকান ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির এক দারুণ মিশেলে বিশ্বকে ফুটবলীয় ঐক্যের মন্ত্র শোনালো এবারের আসর।
অনুষ্ঠানের মূল সুর ছিল মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন। সঞ্চালকের কথায় ফুটে উঠল মেক্সিকোর আতিথেয়তা, “আমরা কেবল একটি দেশ নই, আমরা বৈচিত্র্যের এক মেলবন্ধন। ফুটবল আমাদের একসূত্রে গাঁথে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেয় ভালোবাসার বার্তা।”
স্টেডিয়ামের মাঝখানে ঘুরতে থাকা বিশ্বকাপ ট্রফির বিশাল প্রতিকৃতি আর নৃত্যশিল্পীদের ছন্দময় পারফরম্যান্স যেন পুরো মাঠকে রূপ দিয়েছিল এক রঙিন ক্যানভাসে।
সংগীতের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধতা বাড়াতে মঞ্চে আসেন ভেনেজুয়েলার তারকা ড্যানি ওশান। তাকে অনেকেই ‘ভেনেজুয়েলার জাস্টিন বিবার’ বলে চেনেন। তবে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে ওঠে যখন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী বার্না বয় একসঙ্গে কণ্ঠ মেলান। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘দাই দাই’-এর সুরের মূর্ছনায় স্টেডিয়ামের হাজারো দর্শক যেন মুহূর্তেই একাত্ম হয়ে যায়। তাদের পাশাপাশি জে বালভিন, টাইলা, আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ কিংবা বেলিন্দাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে পূর্ণতা দেয়।
ইতালিয়ান নির্মাতা মার্কো বালিচের পরিকল্পনায় প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল মেক্সিকোর নিজস্ব শিল্পকলা ‘পাপেল পিকাদো’-এর ছাপ। সংস্কৃতির নান্দনিক এই উপস্থাপনা দর্শকদের মনে গেঁথে থাকবে অনেকদিন।
বর্ণিল এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়ে যায় মাঠের আসল লড়াই। মেক্সিকো আর দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠল ২০২৬ বিশ্বকাপের। প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ফুটবল বিশ্ব এখন এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে।
2.png)