অর্থনীতি
দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্য খাতকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৩৬ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের এডভাইজরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দীন মাহমুদকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটিতে দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ, অধ্যাপক, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা এবং তা মোকাবেলায় কার্যকর কৌশল নির্ধারণই হবে এই কমিটির মূল কাজ। নীতিনির্ধারণে সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ, ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. জাহিদ হোসেন, ড. সুলতান হাফিজ রহমান, ড. জায়েদি সাত্তার, ড. ফাহমিদা খাতুন, ড. মুস্তাফিজুর রহমান, ড. কেএএস মুর্শিদ, ড. বরকত এ খুদা, ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী, ড. মুশতাক খান, রাশেদা কে চৌধুরী এবং ড. এম এ বাকী খলিলিসহ আরও অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরাও এতে যুক্ত আছেন।
গত ৮ এপ্রিল পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে জানানো হয়, আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করে জমা দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে দেশ-বিদেশে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তাতে এই কমিটির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আগামী ৫, ১০ এমনকি ৫০ বা ১০০ বছরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে।
এদিকে, অর্থ উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নতুন গতি আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, অতীতে দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সে অভিজ্ঞতা থেকেই বর্তমান উদ্যোগটিও ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্য খাতকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৩৬ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের এডভাইজরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দীন মাহমুদকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটিতে দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ, অধ্যাপক, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা এবং তা মোকাবেলায় কার্যকর কৌশল নির্ধারণই হবে এই কমিটির মূল কাজ। নীতিনির্ধারণে সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ, ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. জাহিদ হোসেন, ড. সুলতান হাফিজ রহমান, ড. জায়েদি সাত্তার, ড. ফাহমিদা খাতুন, ড. মুস্তাফিজুর রহমান, ড. কেএএস মুর্শিদ, ড. বরকত এ খুদা, ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী, ড. মুশতাক খান, রাশেদা কে চৌধুরী এবং ড. এম এ বাকী খলিলিসহ আরও অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরাও এতে যুক্ত আছেন।
গত ৮ এপ্রিল পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে জানানো হয়, আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করে জমা দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে দেশ-বিদেশে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তাতে এই কমিটির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আগামী ৫, ১০ এমনকি ৫০ বা ১০০ বছরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে।
এদিকে, অর্থ উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নতুন গতি আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, অতীতে দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সে অভিজ্ঞতা থেকেই বর্তমান উদ্যোগটিও ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
