ঢাকা
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীপথ আবারও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নদীগুলোর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নদীর স্বাভাবিক নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ বজায় রাখার বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সভাকক্ষে ঢাকার চারপাশের নৌপথ চালুর সম্ভাবনা ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তিনি নিজেই।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নৌপথ পুনরায় সচল করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগ্রহী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে তাদের মাধ্যমে ওয়াটার বাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নৌযান চলাচল চালু করাই নয়, নদীর পরিবেশ রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে নদীকে সচল রাখতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যে নদীদূষণ কমানো, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নদীর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
নদীতীরের পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় ও সবুজায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নদীর পাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের আশপাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশ দেন, যাতে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি নদীতীরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।
সভায় সড়ক পরিবহণ ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)
রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীপথ আবারও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নদীগুলোর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নদীর স্বাভাবিক নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ বজায় রাখার বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সভাকক্ষে ঢাকার চারপাশের নৌপথ চালুর সম্ভাবনা ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তিনি নিজেই।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নৌপথ পুনরায় সচল করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগ্রহী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে তাদের মাধ্যমে ওয়াটার বাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নৌযান চলাচল চালু করাই নয়, নদীর পরিবেশ রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে নদীকে সচল রাখতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যে নদীদূষণ কমানো, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নদীর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
নদীতীরের পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় ও সবুজায়নের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নদীর পাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের আশপাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশ দেন, যাতে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি নদীতীরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।
সভায় সড়ক পরিবহণ ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)