ঢাকা
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীতে যুবক সাগর আহমেদ (২৪)-এর মৃত্যুর চার দিন পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির ভাষ্য, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কয়েকজনের তাড়া খেয়ে সাগর নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন আনু (৪১)-কে গ্রেপ্তার করেছে।
মানিকগজ্ঞ জেলা পিবিআই পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী পিএসসি
শুক্রবার (৩১ জুলাই) পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই রাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ পুটাইল গ্রামের বাসিন্দা সাগর আহমেদ তার বন্ধু শাহরিয়ার আলম স্বাধীনকে নিয়ে চর ঘোস্তা খেয়াঘাট এলাকায় যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাদের আটকে তল্লাশি চালায়। এ সময় তাদের কাছে অবৈধ বস্তু রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পুলিশে সোপর্দ করার ভয় দেখানো হয়।
তদন্তে উঠে এসেছে, পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সাগর দৌড়ে কালীগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দেন। নদীর মাঝখান থেকে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় মাঝিরা নৌকা নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালালেও তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এর দুই দিন পর, ২৯ জুলাই সদর উপজেলার বারারিয়া ইউনিয়নের বাঘিয়া এলাকার কালীগঙ্গা নদী থেকে সাগরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পিবিআইর তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার সময় সাগরের বন্ধু শাহরিয়ার আলম স্বাধীনকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সংস্থাটির দাবি, অভিযুক্তদের বেআইনি কর্মকাণ্ড, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবহেলার কারণেই সাগর নদীতে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন এবং পানিতে ডুবে মারা যান।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন আনুকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন এবং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে তদন্ত সংস্থাটি।
পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী বলেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : পিবিআই সাগর হত্যা কান্ড
2.png)
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীতে যুবক সাগর আহমেদ (২৪)-এর মৃত্যুর চার দিন পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির ভাষ্য, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কয়েকজনের তাড়া খেয়ে সাগর নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন আনু (৪১)-কে গ্রেপ্তার করেছে।
মানিকগজ্ঞ জেলা পিবিআই পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী পিএসসি
শুক্রবার (৩১ জুলাই) পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই রাতে সদর উপজেলার দক্ষিণ পুটাইল গ্রামের বাসিন্দা সাগর আহমেদ তার বন্ধু শাহরিয়ার আলম স্বাধীনকে নিয়ে চর ঘোস্তা খেয়াঘাট এলাকায় যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাদের আটকে তল্লাশি চালায়। এ সময় তাদের কাছে অবৈধ বস্তু রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পুলিশে সোপর্দ করার ভয় দেখানো হয়।
তদন্তে উঠে এসেছে, পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সাগর দৌড়ে কালীগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দেন। নদীর মাঝখান থেকে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় মাঝিরা নৌকা নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালালেও তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এর দুই দিন পর, ২৯ জুলাই সদর উপজেলার বারারিয়া ইউনিয়নের বাঘিয়া এলাকার কালীগঙ্গা নদী থেকে সাগরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পিবিআইর তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার সময় সাগরের বন্ধু শাহরিয়ার আলম স্বাধীনকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সংস্থাটির দাবি, অভিযুক্তদের বেআইনি কর্মকাণ্ড, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবহেলার কারণেই সাগর নদীতে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন এবং পানিতে ডুবে মারা যান।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন আনুকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন এবং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে তদন্ত সংস্থাটি।
পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী বলেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
2.png)